আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > ক্যাম্পাস > ৫৭ বছরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

৫৭ বছরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

৫৭ বছরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

প্রতিচ্ছবি ময়মনসিংহ প্রতিনিধি :

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আজ। এ বছর দিবসটির প্রতিপদ্য ‘বাকৃবির অবদান ক্ষুধা-মঙ্গার অবসান।’ বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। কর্মসূচির মাঝে ছিলো ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করণ, গাছের চারা রোপন- বিতরণ প্রভৃতি।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয ষাটের দশকে সবুজ বিপ্লবের ধারণাকে সামনে রেখে ১৯৬১ সনের ১৮ আগস্ট এক অধ্যাদেশের মধ্য দিয়ে এর অগ্রযাত্রা শুরু হয়। দেশের ক্রমবর্ধমান খাদ্য চাহিদা, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা পূরণে এ প্রতিষ্ঠানটির সাফল্য অবর্ননীয়।

১৯৭৩ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষিবিদদের প্রথম শ্রেণীর মর্যাদা দিয়ে যেভাবে সম্মানিত করেছিলেন, তার মান কৃষিবিদরা রাখতে সক্ষম হয়েছে।

এশিয়ার অন্যতম এবং দেশের তৃতীয় বৃহত্তম এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছয়টি অনুষদের আওতায় ৪৪টি শিক্ষা বিভাগের তত্ত্বাবধানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

শহর ময়মনসিংহ থেকে চার কিলোমিটার দক্ষিণে ব্রহ্মপুত্রের পলি পরা সমভূমিতে এক হাজার দুইশত একর জমিতে স্থাপিত চত্বরে শিক্ষা-গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও সম্প্রসারণ কার্যক্রম।

তারুণ্যের পদভারে মুখরিত এ চত্বরে পা রেখছেন অনেক গুণীজন। তার মধ্যে সবুজ বিপ্লবের জনক নরমান বোরলোগের নামটি সোনালি আখরে লেখা থাকবে।

এ বিশ্ববিদ্যালয়ে মূল প্রশাসন ভবনসহ বিভিন্ন অনুষদীয় ভবন, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র, সম্প্রসারণ ভবন, জিটিআই ভবন এবং শিক্ষার্থীদের আবাসনের জন্য ১৩টি হল রয়েছে।

নদের পাশ ঘেরা নয়নাভিরাম নৈসগিক বোটানিকেল গার্ডেন, খেলাধুলার জন্য ষ্টেডিয়াম,জয়নুল আবেদীন মিলনায়তন,জার্মপ্লাজম সেন্টার, কৃষি ও ফিশ মিউজিয়াম ছাড়াও রয়েছে বিশেষায়িত গবেষণাগার।

 

কাজী মোস্তফা/এ আর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে