আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > অর্থ-বাণিজ্য > ২০১৬-১৭ অর্থবছরের রেমিট্যান্স গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

২০১৬-১৭ অর্থবছরের রেমিট্যান্স গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন রেমিট্যান্স এসেছে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক : ডলারের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রার মান এবং বিশ্ববাজারে তেলের দর কমে যাওয়াসহ একাধিক কারণে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় আসা কমেছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে রেমিট্যান্স কমে এক হাজার ২৭৬ কোটি ৯৪ লাখ ডলারে নেমে এসেছে, যা গত পাঁচ অর্থবছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সর্বশেষ ২০১০-১১ অর্থবছরে এক হাজার ১৬৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স দেশে আসে। ২০১১-১২ অর্থবছরে এসেছিল এক হাজার ২৮৪ কোটি ৩৪ লাখ ডলার। ২০১২-১৩ অর্থবছরে এসেছিল এক হাজার ৪৪৬ কোটি ১১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্স কিছুটা কমে হয় এক হাজার ৪২২ কোটি ৮২ লাখ ডলার। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে আবার বেড়ে হয়েছিল এক হাজার ৫৩১ কোটি ৬৯ লাখ ডলার। তবে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে আবার কিছুটা কমে আসে এক হাজার ৪৯৩ কোটি ১১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

বিদায়ী অর্থবছরে এর আগের অর্থবছরের তুলনায় রেমিট্যান্স কমেছে ২১৬ কোটি ১৭ লাখ ডলার বা ১৪.৪৭ শতাংশ। সর্বশেষ গত জুন মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১২১ কোটি ৪৬ লাখ ডলার। মে মাসে এসেছে ১২৬ কোটি ৭৬ লাখ ডলার। আর ১০৯ কোটি ২৬ লাখ ডলার এসেছিল এপ্রিলে। এর আগে মার্চে ১০৭ কোটি ৭৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসে।

গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন রেমিট্যান্স আসে গত ফেব্রুয়ারিতে; ৯৪ কোটি সাত লাখ ডলার। জানুয়ারিতে আসে ১০০ কোটি ৯৪ লাখ ডলার, ডিসেম্বরে ৯৫ কোটি ৮৭ লাখ, নভেম্বরে ৯৫ কোটি ১৩ লাখ, অক্টোবরে ১০১ কোটি ৯ লাখ, সেপ্টেম্বরে ১০৫ কোটি ৬৬ লাখ, আগস্টে ১১৮ কোটি ৩৬ লাখ এবং অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে আসে ১০০ কোটি ৫৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

একদিকে বিশ্বব্যাপী প্রবাসীদের উপার্জন কম হচ্ছে। অন্যদিকে পশ্চিমা বিশ্বের নানা সঙ্কটে ইউরো ও পাউন্ডের দাম পড়ে যাওয়ায় প্রবাসীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। আর এসব কারণে ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ না পাঠিয়ে হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাঠাচ্ছেন তারা। হুন্ডির মাধ্যমে দেশে টাকা পাঠানোতে তা হিসাবে আসছে না।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে