আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > রাজনীতি > সুইস ব্যাংকে কার কত টাকা জানতে চান খালেদা

সুইস ব্যাংকে কার কত টাকা জানতে চান খালেদা

????????????????????????????????????

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক :

“বাংলাদেশকে গরিব দেশ বলা হয়, অথচ বাংলাদেশের মানুষ সেখানে টাকা রাখছে। এই টাকাগুলো কাদের, তাদের নাম আমাদের দরকার। আমরা জানতে চাই, কারা সুইস ব্যাংকে কত টাকা কে রেখেছে।”

শনিবার রাতে বিএনপির গুলশানের কার্যালয়ে দলটির ‘প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ’ অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন উপলক্ষে এই অনুষ্ঠান হয়। আগামী ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে এই কর্মসূচি চালাবে বিএনপি। সেখানেই এমন মন্তব্য করেন খালেদা।

খালেদা জিয়া ১০ টাকার বিনিময়ে রশিদে সই করে নিজের সদস্যপদ নবায়ন করেন। এরপর দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, তরিকুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম মিয়া, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী তাদের সদস্যপদ নবায়ন এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের মোট ছয়জন নতুন সদস্য হন।

সর্বশেষ ২০১২ সালে সদস্য সংগ্রহ অভিযান হয় বিএনপির। আন্দোলনের কারণে পরে আর এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে পারেননি বলে দলটির নেতাদের ভাষ্য।

অনুষ্ঠানে খালদা জিয়া বলেন, ‘এই বছরই সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে। গত পরশু দিন কাগজে ছিল, সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের বহু টাকা।’

বর্তমান সরকার ‘অবৈধভাবে জোর করে’ ক্ষমতায় বসে আছে মন্তব্য করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমি তাদের কাছেই দাবি করছি, সুইস ব্যাংকে কারা টাকা রেখেছে, কত টাকা রেখেছে তাদের নাম-ধামসহ হিসাবপত্র প্রকাশ করুন।’

দেশে দুর্নীতির ‘ব্যাপক বিস্তার’ ঘটেছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, “ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। সেদিন একটা খবরের কাগজে দেখলাম, পাঁচ বছরে নতুন কোটিপতি হয়েছে ৫০ হাজার। তার মানে বুঝতে পারছেন, কী পরিমাণ দুর্নীতি তারা করেছে। না হলে কীভাবে কোটিপতি হয়ে গেল? এরা কারা? সবই আওয়ামী লীগের।”

আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা বাংলাদেশকে নিজেদের দেশ ভাবে না মন্তব্য করে বিএনপি নেত্রী বলেন, “সেজন্য কিন্তু তারা ভয়ে ও নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য বিভিন্ন দেশে সেকেন্ড হোম বানিয়ে বসে আছে, টাকা বানিয়ে বসে আছে।”

গুলশানের কার্যালয়ে বিএনপির ‘প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ’ অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন উপলক্ষে এই অনুষ্ঠান হয়। আগামী ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে এই কর্মসূচি চালাবে বিএনপি।

খালেদা জিয়া ১০ টাকার বিনিময়ে রশিদে সই করে নিজের সদস্যপদ নবায়ন করেন। এরপর দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, তরিকুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম মিয়া, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী তাদের সদস্যপদ নবায়ন এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের মোট ছয়জন নতুন সদস্য হন।

সর্বশেষ ২০১২ সালে সদস্য সংগ্রহ অভিযান হয় বিএনপির। আন্দোলনের কারণে পরে আর এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে পারেননি বলে দলটির নেতাদের ভাষ্য।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে