আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > জাতীয় > সি শেলের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা দুর্বল: ফায়ার সার্ভিস

সি শেলের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা দুর্বল: ফায়ার সার্ভিস

সি শেলের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা দুর্বল: ফায়ার সার্ভিস

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক : রাজধানীর উত্তরায় ‘সি সেল’ আবাসিক হোটেলের আগুন লাগা সম্পর্কে ফায়ার সার্ভিস বলছে, সি শেল হোটেলের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা দুর্বল ছিল। দুই মাস আগে তাঁদের নোটিশও দেওয়া হয়।

সি শেল রেস্তোরাঁয় গ্যাসপাইপ লাইন থেকে আগুন লাগতে পারে বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস। সোমবার ভোর পাঁচটার দিকে উত্তরার চার নম্বর সেক্টরে সি শেল রেস্তোরাঁয় আগুন লাগে। পরে আগুন পাশের ভবনেও ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভবনে সি শেলের আবাসিক হোটেল। চার ঘণ্টা পর সকাল নয়টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

উত্তরা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দায়িত্বরত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, সি শেল হোটেলের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা দুর্বল ছিল। ফায়ার সার্ভিস দুই মাস আগে হোটেল কর্তৃপক্ষকে নোটিশ দেয়। তিনি বলেন, ‘আমরা বলেছি অগ্নিনির্বাপণের নিজস্ব ব্যবস্থা রাখতে। হোটেল কর্তৃপক্ষ তা করেনি। নোটিশের জবাবও দেয়নি।’

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম আরও জানান, একটি ভবনের সঙ্গে দুই থেকে তিনটি ভবন সংযুক্ত। এ কারণে আগুন পাশের ভবনেও ছড়িয়ে পড়ে। ভোর পাঁচটার দিকে তাঁরা আগুন লাগার খবর পান। পরে ১৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

হোটেলের ব্যবস্থাপক মো. সোহেল বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের নোটিশ আমরা পাইনি। তবে আমরা প্রতিটি কক্ষে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রেখেছিলাম’। তিনি অভিযোগ করেন, ফায়ার সার্ভিস দেরিতে এসেছে। এ কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়েছে। যে কয়টা ইউনিট এসেছিল তাতে পানি কম ছিল বলেও তিনি জানান।

সকালে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন) মেজর শাকিল নেওয়াজ জানান, অগ্নিকাণ্ডে সি শেল রেস্তোরাঁ, পাশের একুশে রেস্তোরাঁ ও পার্টি সেন্টার বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সি শেলের নিচতলা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওই রেস্তোরাঁয় অতিরিক্ত ডেকোরেশন ও ফলস সিলিং থাকায় ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়েছে।

তিনি আরও জানান, নিহতদের মধ্যে একজন নারী ও একজন পুরুষ। তাদের পরিচয় কেউ জানাতে পারেনি। দুজনের লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে