আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > অর্থ-বাণিজ্য > বেনাপোলে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট

বেনাপোলে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট

বেনাপোলে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট

প্রতিচ্ছবি বেনাপোল প্রতিনিধি:

ছাত্রলীগের হামলায় গ্রিনলাইন পরিবহনের কাউন্টার ভাংচুর ও ৪ জন পরিবহন শ্রমিক পিটিয়ে আহত করার ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার সকাল থেকে বেনাপোলে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট পালন করছে পরিবহন শ্রমিক সংগঠনগুলো।

সকালে দিকে বেনাপোলের প্রধান সড়কের ওপর পরিবহন বেরিকেট দিয়ে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। ফলে শতশত পাসপোর্ট যাত্রী আটকা পড়েছে বেনাপোল চেকপোস্টে।

পরিবহন শ্রমিকরা জানান, শুক্রবার বিকেলে জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনকে সফল করার লক্ষ্যে বেনাপোল পৌর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বেনাপোল বন্দরে মিছিল বের করে। মিছিলটি যখন বেনাপোল পরিবহন স্ট্যান্ডে আসে, সে সময় গ্রিনলাইন পরিবহনের একটি বাসের বক্সে যাত্রীদের ল্যাগেজ ওঠাচ্ছিলেন মোহন (৩৫) নামে একজন শ্রমিক।

এসময় ছাত্রলীগ কর্মীদের সঙ্গে তার সামান্য কথাকাটির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে মোহনকে বেধড়ক মারপিট করে। তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এসে ওই বাসের চালক জামাল, সুপারভাইজার আলাল ও হেলপার লিয়াকতও ছাত্রলীগ কর্মীদের মারপিটের শিকার হন। পরে ছাত্রলীগ কর্মীরা বিজিবি ক্যাস্পের সামনে গ্রিনলাইন পরিবহন কাউন্টার ভাংচুর করে।

হামলাকারীদের পুলিশ না ধরা পর্যন্ত বেনাপোল থেকে সব ধরনের পরিবহন বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন শ্রমিকরা। শনিবার থেকে পরিবহন ধর্মঘটের সমর্থনে মাইকেও প্রচার করা হয়।

বেনাপোল গ্রিনলাইন পরিবহনের ম্যানেজার রবীন বলেন, ‘বিষয়টি ঢাকায় মালিককে জানানো হয়েছে। তারা ওখান থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। ঘটনার ব্যাপারে শনিবার সকালে বেনাপোল পোর্ট থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়।

বেনাপোলের সকল পরিবহন ম্যানেজার ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠন বসে শনিবার সকাল থেকে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন। ঘটনার সাথে জড়িতদের আটক না করা পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অপূর্ব হাসান বলেন, ‘ঘটনাটি দুঃখজনক। হামলাকারীদের আটকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। শ্রমিক সংগঠন ও পরিবহন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বসে বিষয়টি সুরাহারও চেষ্টা চলছে।

সাজেদুর রহমান/এআর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে