আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > অর্থ-বাণিজ্য > বাজেটে আশা আছে, আশ্বাস নেই: বিশ্বব্যাংক

বাজেটে আশা আছে, আশ্বাস নেই: বিশ্বব্যাংক

বাজেট উচ্চাভিলাসী, আশা দীর্ঘ আশ্বাস সংক্ষিপ্ত: বিশ্বব্যাংক

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক: আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে উচ্চাভিলাসী ও রাজস্ব আদায়কে কষ্টসাধ্য বলে মন্তব্য করে বিশ্বব্যাংক বলছেন, এই বাজেটে আশা দীর্ঘ, কিন্তু আশ্বাস সংক্ষিপ্ত। এছাড়া ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের বাজেটে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলেও জানিয়েছেন এ দাতা সংস্থা।

চ্যালেঞ্জগুলো- ব্যাংকিং খাতে নানা দুর্বলতা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দাম বৃদ্ধির ভিত্তি পরিষ্কার না করা, সঞ্চয়পত্রের সুদের হারের ভিত্তি পরিষ্কার না করা, বৈদেশি মুদ্রা বিনিময় করার ক্ষেত্রে নিজস্ব গতিতে চলতে দেওয়া ও চালের আমদানি শুল্ক না কমানো।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্ব ব্যাংকের কার্যালয়ে ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পর্যালোচনা বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে এসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। আলোচনায় অংশনেন ঢাকা অফিসের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন। বক্তব্য রাখেন কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান, রাজশ্রী পারালকার, মেহরিন এ মাহবুব।

অনুষ্ঠানে ড. জাহিদ বলেন, রাজস্ব আদায় নির্ভর করছে ভ্যাট আইন বাস্তবায়নের উপর। তারপর আয়করের উপর। আয়কর খাতে সংস্কার নেই। ফলে আদায়ের প্রত্যাশা কম। আমদানি শুল্কের ক্ষেত্রে সরলীকরণ করা হয়নি। রাজস্ব আদায়টি মিশ্র ঝুড়ি বলা যায়।

তিনি বলেন, ব্যয়ের ৮০ ভাগ বরাদ্দ যাবে সুদ, বেতন, ভর্তুকি ও ট্রান্সফার খাতে। আবার সুদ খাতে যা ব্যয় হবে তার ৪৭.৫ শতাংশ যাবে সঞ্চয়পত্রের সুদ খাতে।

তিনি জানান, চালের দাম বৃদ্ধির কারণে খাদ্যে ভর্তুকি বাড়বে। কিন্তু অন্যান্য খাতে বিশেষ করে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে যে ভর্তুকি দিচ্ছি তা কতোদিন চলবে? পিডিবির লোকসান রয়েই গেছে। বিদ্যুত খাতের অব্যবস্থাপনা ও অদক্ষতার উন্নয়ন না হলে এই ভর্তুকি কমানো যাবে না।

তিনি বলেন, এডিপি বাস্তবায়নে কোনো অগ্রগতি দেখছি না। বছর বছর প্রকল্প সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু প্রকল্প সমাপ্ত হচ্ছে। টেন্ডারিং এ প্রতিযোগিতার অভাবের কারণে প্রকল্প ব্যয় বাড়ছে।

বিশ্বব্যাংক বলছে, বাজেটে কাঠামোগত সংস্কারের আলোচনা কম। বিশেষ করে আর্থিক খাতের সংস্কারের আলোচনা আসেনি। ব্যাংকিং খাতে খেলাপী ঋণের হার কমিয়ে আনার কোনো কথা বলা হয়নি।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে