আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > আইন-মানবাধিকার > ফের মওদুদের বাসায় রাজউক

ফের মওদুদের বাসায় রাজউক

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক :

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের গুলশানের বাসায় আবার অভিযান শুরু করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।

%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ab%e0%a6%9f%e0%a7%8b-%e0%a6%ae%e0%a6%93%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%a6

গুলশান জোনের এডিসি আব্দুল আহাদ বলেন, ‘রাজউক বাড়িটিতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সেখানে কোনো ব্যত্যয় ঘটছে কিনা সেজন্য ঘটনাস্থলে রয়েছে পুলিশ।’

বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের গণমাধ্যম শাখার কর্মকর্তা শায়রুল কবীর খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ‘আজ রোববার সকাল থেকে রাজউক কর্তৃপক্ষ বিএনপি নেতা মওদুদের গুলশানের বাসায় অভিযান শুরু করেছে। অভিযান এখনো চলছে।’

গত ৭ জুন প্রথম দফায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদের গুলশানের বাসায় উচ্ছেদ অভিযান চালায় রাজউক। গত ৪ জুন গুলশানের বাড়ির মালিকানা বিষয়ে করা রিভিউ খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।

গত বছরের ২ আগস্ট মওদুদ আহমদের ভাই মনজুর আহমদের নামে ওই বাড়ির নামজারির নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাজউকের আপিল গ্রহণ করেন আপিল বিভাগ। গত ৩০ আগস্ট এ মামলার ৮০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। সেই রায়ের বিরুদ্ধে পরে রিভিউ করেন মওদুদ।

২০১৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর বাড়িটি নিয়ে দুদকের উপপরিচালক হারুনুর রশীদ রাজধানীর গুলশান থানায় মওদুদ আহমদ ও তাঁর ভাই মনজুর আহমদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

২০১৪ সালের ১৪ জুন এ মামলায় অভিযোগ আমলে নেন বিচারিক আদালত। এর বিরুদ্ধে তাঁদের আবেদন গত বছরের ২৩ জুন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।

দুদকের করা মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাড়িটির প্রকৃত মালিক ছিলেন পাকিস্তানি নাগরিক মো. এহসান। ১৯৬০ সালে তৎকালীন ডিআইটির (রাজউক) কাছ থেকে এক বিঘা ১৩ কাঠার এ বাড়ির মালিকানা পান এহসান। ১৯৬৫ সালে বাড়ির মালিকানার কাগজপত্রে এহসানের পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী অস্ট্রীয় নাগরিক ইনজে মারিয়া প্লাজের নামও অন্তর্ভুক্ত হয়।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে স্ত্রীসহ ঢাকা ত্যাগ করেন এহসান। তাঁরা আর ফিরে না আসায় ১৯৭২ সালে এটি পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত হয়।

এর পর ১৯৭৩ সালের ২ আগস্ট মওদুদ তাঁর ইংল্যান্ডপ্রবাসী ভাই মনজুরের নামে একটি ভুয়া আমমোক্তারনামা তৈরি করে বাড়িটি সরকারের কাছ থেকে বরাদ্দ নেন বলে মামলায় অভিযোগ করে দুদক।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে