আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > খুলনা > গরু আটকে শার্শায় দু’গ্রুপের দ্বন্দ্ব

গরু আটকে শার্শায় দু’গ্রুপের দ্বন্দ্ব

প্রতিচ্ছবি বেনাপোল প্রতিনিধি:

যশোরের শার্শা উপজেলার রুদ্রপুর সীমান্ত থেকে গত দুই দিনে বর্ডারগার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১৩ টি ভারতীয় গরু আটক করাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের টিংকু আলতাফ গ্রুফের দ্বন্দ তুঙ্গে। যে কোন সময় দু‘গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংক। বিজিবি ও খাটাল পরিচালনাকারিদের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।

benapole-bgb-cow-picn-01

রুদ্রপুর খাটাল পরিচালনাকারি শামছুর ও শহিদুল অভিযোগ করে বলেন, ‘তারা নিয়ম অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৩ টার সময় ৭ টি গরু ভারতীয় গরু এনে খাটালে প্রবেশ করায় ভ্যাট দেয়ার জন্য। ঐ রাত্রে রুদ্রপুর সীমান্তের ৪ নং পোষ্টে আনোয়ার নামে এক বিজিবির হাবিলদার ভারতীয় রাখালের নিকট থেকে গরু গ্রহন করে আমাদের বুঝিয়ে দেয়। আমরা সে অনুযায়ী সরকারকে ভ্যাট দেয়ার জন্য খাটালে গরু প্রবেশ করি। এর আগে এলাকার অন্য একটি গ্রুপ ভারত থেকে বুধবার রাত্রে ৬ টি গরু নিয়ে বিজিবিকে অবগত না করিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করালে বিজিবি কুতুব নামে এক রাখালকে আটক করে। এর জের ধরে ঐ গ্রুপটি বিজিবির উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে ভুল বোঝায়। এতে নিয়ম অনুযায়ী সে দেশের রাখালের মাধ্যমে আনা হলেও আমাদের গরু আটক করা হয়।’

কায়বা ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার হরেকৃষ্ণ বলেন, ‘গরু গুলি নিয়ম অনুযায়ী ভারতীয় রাখালদের মাধ্যমে বিজিবি চেকপোষ্টে পৌঁছে দেয়ার কথা। সেখান থেকে বাংলাদেশী রাখালরা সরকারকে ভ্যাট দেওয়ার জন্য খাটালে উঠানোর কথা। কিন্তুৃ সে অনুযায়ী না হওয়াতে সীমান্ত থেকে গরুগুলি আটক করা হয়।’

খাটালের পাশে বাড়ি খাদিজা বেগম জানায়, বিজিবি এসে খাটালে লোক না পেয়ে চাবি না পাওয়ায় খাটাল ভেঙ্গে গরু বের করে নেয়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র কওে বৃহস্পতিবার সরেজমিন দেখাযায়, রুদ্রপুর খাটালে আওয়ামী লীগের আলতাফ গ্রুফ ও কায়বা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাসাস ফিরোজ টিংকু গ্রুফ মারমুখি অবস্থানে রয়েছে। যে কোন সময় বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে