আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > চট্টগ্রাম > ‘কর্ণফুলী নদীর তীরে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর’

‘কর্ণফুলী নদীর তীরে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর’

‘কর্ণফুলী নদীর তীরে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর’

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক : বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রাম বন্দরের ঐতিহাসিক অবদান, বন্দরের শহীদ ১০১ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী, বন্দরে ঘটিত ঐতিহাসিক সোয়াত প্রতিরোধ এবং এতে জীবন উৎসর্গকারী মানুষ, নৌ-কমান্ডোদের দুঃসাহসী অভিযান এবং সামগ্রিকভাবে চট্রগামের মুক্তিযুদ্ধকে স্মরণীয় করে রাখতে কর্ণফুলী নদীর তীরে একটি মনুমেন্ট ও একটি যাদুঘর স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বুধবার দশম জাতীয় সংসদের ‘নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’র ৪৩তম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

এছাড়া, আসন্ন ঈদ উপলক্ষ্যে নৌ-পথে যাতায়াতকারী যাত্রীদের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন যাত্রীসেবা নির্শ্চিত করতে মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করতে সুপারিশ করে ‘নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’।

বৈঠকে উল্লেখ করা হয় যে, বাংলাদেশের বাণিজ্যের ৯০ ভাগ সমুদ্রনির্ভর। যার মধ্যে ৯২ ভাগ আমদানি-রপ্তানি চট্রগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ বর্তমানে ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে যা ৩০০০ এর বেশী সামুদ্রিক জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙ্গরের ফলাফল।

বৈঠকে আরো উল্লেখ করা হয় যে, মাতারবাড়ী, কুতুবদিয়া ও মহেষখালী এলাকায় কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটি, জ্বালানী তেল আনলোডিং এর জন্য Single Point Mooring, Land based LNG terminal, ভাসমান গ্যাসের জন্য Floating Storage Regasification Unit (FSRU) স্থাপন এবং ১৪ মিটার ড্রাফটের জাহাজ ভিড়ানোর জন্য টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ সরকার কর্তৃক গ্রহণ করা হয়েছে।

উক্ত টার্মিনালসমূহ সুষ্ঠু অপারেশনের লক্ষ্যে কুতুবদিয়া, মহেষখালী ও মাতারবাড়ী এলাকাকে পোর্ট লিমিটেড আওতায় আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

বৈঠকে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে