আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > আন্তর্জাতিক > উৎসব আনন্দে পালিত হয়েছে কানাডার ১৫০তম জন্মদিন

উৎসব আনন্দে পালিত হয়েছে কানাডার ১৫০তম জন্মদিন

canada-150-20161231প্রতিচ্ছবি ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক:

আনন্দ, উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হল কানাডার ১৫০তম জন্মদিন। প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ও কানাডার সার্বভৌম রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ দেশের সকল নাগরিককে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

বহু বছর আগে থেকে আদিবাসী জনগোষ্ঠীদের বসবাস শুরু হয়ে আজকের কানাডা এই পর্যায়ে এসেছে। একসময় তা ছিল ফ্রান্সের উপনিবেশ। তারপর চলে যায় ব্রিটিশের অধীনে। ১৮৬৭ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে মুক্তি পেয়ে নিজস্ব সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা ফিরে পায় দেশটি। ১৮৬৮ সালে কানাডা কনফেডারেশনভুক্ত হয়। কানাডা নামে এই কনফেডারেশনটির যাত্রা শুরু হয় ১ জুলাই। এজন্যই দিনটিকে কানাডা ডে অর্থাৎ কানাডার জন্মদিন হিসেবে পালন করা শুরু হয়। তারপর থেকে আর থেমে থাকেনি তার পথচলা। আজকের বিশ্বে কানাডা একটি শক্তিশালী, স্বনির্ভর, সুপ্রতিষ্ঠিত দেশ।

_96763999_bbc3a777-9752-4573-988b-244fc2478ce5১০টি প্রভিন্স এবং ৩টি টেরিটোরিস নিয়ে কানাডার আয়তন। প্রায় তিনকোটি উনষাট লাখ মানুষ ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে পালন করেছে তাদের প্রিয় দেশটির জন্মদিন। সেখানে বসবাসরত অন্যান্য দেশের অভিবাসীরাও সমান উৎসাহে পালন করেছেন জন্মদিন। এই দিবসের বিশেষ আরেকটি আকর্ষণ হল আলাদা ভাষা ও সংস্কৃতির আদিবাসী মানুষের ঐতিহ্য লালন করে তাদের অংশগ্রহনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সারদেশের বিভিন্ন  স্থানে রাষ্ট্রীয় ও এলাকাভিত্তিক পর্যায়ে উদযাপিত হয়েছে দিনটি। কেক কাটা, র‍্যালি, শুভেচ্ছা আদান প্রদান, বেলুন উত্তোলন, প্যারেড, ইয়োগা, বার বি কিউ পার্টি, আতশবাজি, রঙের খেলা, শোভাযাত্রা, ফায়ার ফ্লেমিং, বাচ্চাদের খেলাধুলা, কনসার্ট সবকিছু মিলিয়ে জমজমাট কানাডার প্রতিটি রাস্তা ও ঘর।

বরাবরের মত সবচেয়ে বড় আয়োজনটি হয়েছিল রাজধানী অটোয়াতে। মধ্যরাত থেকেই শুরু হয় আলোকচ্ছটায় লেজার লাইট আর আতশবাজি প্রদর্শনী। লাখো মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ে বিশাল এ আয়োজন দেখার জন্য। রাত ১২টার পর থেকেই জমকালো এই আয়োজন চলে সারাদিনভর। আনন্দের যেন শেষই হতে চায়না। প্রতিবছর ঘুরে ঘুরে এই বিশেষ দিবসটি ঘিরে কানাডার মানুষের উন্মাদনা বিশ্বের সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে