আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > রাজনীতি > আওয়ামী লীগের চোখ তরুণদের দিকে, মুজিবনগরে টিকেটের সম্ভাবনা এ এস ইমনের

আওয়ামী লীগের চোখ তরুণদের দিকে, মুজিবনগরে টিকেটের সম্ভাবনা এ এস ইমনের

 

আর্য সুবর্ণ

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের চলছে দৌড়ঝাঁপ। কয়েকদিন পর প্রকাশ করা হবে নির্বাচন প্রার্থীদের মনোয়ন তালিকা। অপেক্ষায় রয়েছে মেহেরপুরের ১ আসনের সম্ভাব্য প্রাথীরাও।

মেহেরপুর সদর ও মুজিবনগর উপজেলা নিয়ে গঠিত মেহেরপুর আসন-১। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত এ আসনটি বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হয়। ফলে এ আসনে মনোনয়ন পেতে এবং বিজয়ী হতে সব দলের নেতারাই সবসময় মরিয়া হয়ে থাকেন।

এদিকে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের চোখ এখন তরুণ প্রজন্মের দিকে, সে বিবেচনায়  মেহেরপুর ১ আসনে মনোয়ন পেতে পারেন তরুণ নেতা এম এ এস ইমন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তিনি দলীয় নীতি নির্ধারকদের সুনজরে আছেন বলেও আওয়ামী লীগের একটি বিশ্বস্ত সূত্র প্রতিচ্ছবি’কে জানিয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নকালে বিএনপির প্রথম শাসনামলে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন তাদের মধ্যে ইমন একজন। বর্তমানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা উপ কমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে প্রেট্রোবাংলার রূপান্তরিক প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন এম এ এস ইমন।

রাজনৈতিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজ এলাকাকেও গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন মেহেরপুরের  এ তরুণ নেতা। বেকারত্ব দূর করতে বৃহৎ শিল্প কারখানা গড়ার প্রয়াশ ব্যক্ত করেন তিনি। শুধু তাই নয় যেহেতু জনমনে এই শহরকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় রাজধানী হিসেবে ঘোষণার দাবি দীর্ঘদিন ধরে হয়ে আসছিলো, সেহেতু তার বাস্তবায়ন করতে চান ইমন।

২০১০ সালের ১৭ এপ্রিল বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছিলেন মেহেরপুরে একটি আন্তর্জাতিক মানের স্থলবন্দর নির্মাণ হবে। কিন্তু এখনো সেটি বাস্তবায়ন না হওয়ায়  জেলাবাসীর পক্ষ হয়ে  মেহেরপুর স্থলবন্দর বাস্তবায়ন আন্দোলন ফোরাম নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে তিনি জানান, আশা করছি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের দাবি মেনে নিয়ে মেহেরপুর স্থলবন্দর স্থাপনের কাজ শুরু করার ঘোষণা দিয়ে আমাদের কৃতার্থ করবেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোয়নে সম্ভাবনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,  বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতি করাটা ছিল খুব কষ্টের। নানা নির্যাতনের মুখেও এস এম হল এবং জগন্নাথ হলে ছাত্রলীগের রাজনীতি আমরা সক্রিয় রেখেছি। সেই থেকে শুরু করে এখনো আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসাবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে এবং শেখ হাসিনার নির্দেশিত পথেই রাজনীতি করছি। দলীয় নেতাকর্মীদের সময় দেয়ার পাশাপশি এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সব সময় নিজেকে নিয়োজিত রাখছি। আগামী একাদশ জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আমাকে মনোনয়ন দিয়ে জনগণের পক্ষে কাজ করার সুযোগ দিবেন বলেই আমি বিশ্বাস করি। তৃণমূলকে আমি জাগিয়ে রেখেছি। আমার বেশ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে, মেহেরপুরকে আগামী ৫ বছরের মধ্যেই বিশ্বের শান্তিপ্রিয় জেলা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে যা যা করা প্রয়োজন তা করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।

তবে একই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে মাঠে সক্রিয় আছেন দলীয় সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরহাদ হোসেন। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রচারে আছেন দলীয় সাবেক সাংসদ আলহাজ মো. জয়নাল আবেদীন, সাবেক সাংসদ প্রফেসর আবদুল মান্নান, সাবেক জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মিয়াজান আলী, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম।

এএস

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

Leave a Reply

উপরে