আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > অপরাধ > ‘মজা পেয়ে গেছেন’ পাঠাও-উবারের রাইডাররা

‘মজা পেয়ে গেছেন’ পাঠাও-উবারের রাইডাররা

পাঠাও-উবার রাইডার

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক:

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় থেকেই ঘটনাটি ঘটছে। মোড়ে মোড়ে মোটর সাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা তরুণরা কাউকে যাত্রী ভাবলেই জিজ্ঞেস করছেন, ‘কোথায় যাবেন?’

এই তরুণরা অ্যাপে উবার বা পাঠাওয়ের মোটর সাইকেল চালিয়ে আয় করতেন। তবে শিক্ষার্থীর আন্দোলনের সময় বাড়তি ভাড়া আদায়ের কৌশলে অ্যাপ বন্ধ রেখে সিএনজি অটোরিকশার মতো করে চুক্তিতে গন্তব্যে গেছেন।

আন্দোলন শেষে ঘরে ফিরেছে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু যারা ‘মজা পেয়ে গেছেন’ তাদের বহুজন সেই অভ্যাস ছাড়তে পারছেন না। আর রীতিমতো যাত্রী ডাকছেন তারা।

এভাবে চললে চালকদের বাড়তি যে লাভটা হয়, সেটা হলো অ্যাপ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ভাড়ার যে অংশ কেটে নেয়, সেটা আর দিতে হচ্ছে না। ফলে ট্রিপ শেষে আয়টা বেশি হয়। কিন্তু এটি তৈরি করছে নিরাপত্তা ঝুঁকি। এটা যেমন যাত্রীর জন্য, তেমনি ঝুঁকির বাইরে নন চালকও।

অ্যাপে বাইক ডাকলে চালকের নাম পরিচয়ের বিষয়টি নিয়ে নিশ্চয়তা থাকে। সেই সঙ্গে যাত্রীরও নাম পরিচয় নিবন্ধন করা থাকে তার মোবাইল ফোন নম্বর দিয়ে। এটি চালক ও যাত্রী দুই পক্ষের জন্যই নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয়।

কিন্তু এভাবে বাইকে চড়লে নির্জন স্থানে গিয়ে ছিনতাই বা অন্য কোনো অপরাধের শিকার হতে পারেন চালক-যাত্রী দুই পক্ষই।

যারা এভাবে যাত্রী টানছেন, তাদের অনেকেই ‘পাঠাও’য়ের নিবন্ধিত চালক। তারা জানান, অ্যাপ ব্যবহারের ফলে প্রতিষ্ঠানটি আয়ের অংশ কেটে নেয়। পাঠাওকে এই অংশটুকু দিতে রাজি নন অনেক চালক।

যাত্রীদের কাছ থেকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই ধরনের চালকরা অ্যাপে দূরত্ব অনুযায়ী যে ভাড়া নির্ধারণ হয়, তার চেয়ে কিছুটা কম নেয়।

তবে অ্যাপের নিয়মিত যাত্রী জানান, এই অল্প কয়টা টাকার জন্য ঝুঁকি নেয়ার মানেই হয় না। অ্যাপে যাওয়া মানে নিরাপদ থাকা। কারণ, বাইকটা কোথায় যাচ্ছে না যাচ্ছে, কে চালাচ্ছে, কোম্পানির কাছে সব তথ্য থাকে। একটা ঝামেলা হলেও দ্রুত সমাধান পাওয়ার সুযোগ আছে।

 

এআর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

Leave a Reply

উপরে