আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > মতামত-চিন্তা > যখন যাকে কাছে নিয়েছি সেই গেছে মোরে ছাড়ি

যখন যাকে কাছে নিয়েছি সেই গেছে মোরে ছাড়ি

ইফতেখায়রুল ইসলাম:

আমি মনে প্রাণে যখন যে দলের বা খেলোয়াড়ের ভাল চেয়েছি তখনি তিনি বা তাহারা এমন উচ্চাসনে আসীন হয়েছেন যে তাহাদের আর খুঁজিয়া পাওয়া যাইতো না।

ছোটবেলায় টেনিসে আমার প্রিয় ছিলেন “মনিকা সেলেস” ছুরিকাহত কোন বছরে হয়েছিলেন মনিকা আমার মনে নেই, তবে এরপর থেকে তিনি আর ফর্মে থাকলেন না।তারপর মার্টিনা হিঙ্গিসকে পছন্দ করতেই তাঁর পেশাদারী আর ব্যক্তিগত জীবনে ঝড় উঠলো!

জাস্টিন হেনিনরাও হারতে শুরু করলো শুধু আমার পছন্দের তালিকায় এসে! কিম ক্লাইস্টার্সের ক্যারিয়ারের শেষ পেরেক আমার পছন্দের তালিকায় এসেই হয়েছে সম্ভবত।

পরে চিন্তা করলাম পাওয়ার টেনিস প্লেয়ার সেরেনাই হতে পারে ভরসা।সেরেনা টিকে যায় আবার পিছিয়ে যায়,আবার ফিরে আসে।এখনো টিকে আছে। পুরুষদের মধ্যে এস্টাবলিশড পিট সাম্প্রাসকে বেছে নিলাম, তিনি পরবর্তী সময়ে নিষ্প্রভ হয়ে গেলেন ।

স্টেফিকে পছন্দ না করলেও আন্দ্রে আগাসী আমার পছন্দের তালিকায় ছিলেন! যা হওয়ার তাই হতে লাগলো পরাজয়,পরাজয় এবং পরাজয়।

সুইস রজার ফেদেরার মত ভদ্র খেলোয়াড় অনেকটা সময় টিকে থেকেও সর্বশেষ আমার পছন্দের তালিকায় এসে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে ফর্ম কাটিয়েছেন।

স্প্যানিয়ার্ড রাফায়েল নাদাল আমার সবচেয়ে প্রিয় খেলোয়াড়।মাসের পর মাস অফ ফর্মে থাকার কি হেতু পাঠক নিশ্চয়ই আবিষ্কার করিয়াছেন ইতোমধ্যে।

স্প্রিন্টের গেইল ডেভার্স, জাস্টিন গ্যাটলিনকেই দেখুন না! শ্রীলংকান দয়মন্তী দারসাও অফ ফর্মে চলে গিয়েছিলেন। সাতারের মাইকেল ফেলপসকে যখন পছন্দ করা শুরু করলাম তখনি নিষিদ্ধ হলেন তিনি । ফুটবলে আর্জেন্টিনার ভরাডুবি শেষবারে সাম্পাওলির যতটা ভূমিকা তার চেয়ে কম ভূমিকা আমার ছিল না।

এবারে আসা যাক মূল কথায়ঃ আমার অনেক শুভাকাঙ্খী- এমনকি আমার নিজ ভাই ও বোন ব্রাজিল সাপোর্ট করে।আমি চাইনা তাদের হৃদয় ভাঙুক।তাই চিন্তা করছি আজকের ম্যাচে ব্রাজিলকে সমর্থন দেবো কিনা?

কিন্তু যখন যাকে সমর্থন দেই সেই তো…? আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ব্রাজিল টিমের জন্য শুভকামনা জানিয়ে গেলাম। সুখে থাক প্রিয়জনেরা।

লেখক: সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার (ডেমরা জোন), ডিএমপি।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

Leave a Reply

উপরে