আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > খেলাধুলা > ফুটবলের মহামঞ্চে ‘শিশু’ কথন

ফুটবলের মহামঞ্চে ‘শিশু’ কথন

children with players 1

জোহরা সিজন:

পায়ের জাদুকরদের শৈল্পিকতায় বুঁদ হয়ে আছে বিশ্ব। রাশিয়ার টালমাটাল ফুটবলের মহারণ এর মাঝেই জমে উঠেছে ঘটন অঘটনের নাটকীয়তায়। আয়োজক দেশই নয় গ্যালারিও হাজির নানা রঙ ও সংস্কৃতির পসরা সাজিয়ে।

টিকিট যখন সোনার হরিণ তখন সবুজের গালিচায় তারকা মহাতারকাদের সংস্পর্শ কল্পনার অতীত মিলিয়ন বিলিয়ন ডলারেও। তখনই কিনা প্রতি ম্যাচে মেসি-রোনালদো-নেইমারদের সৌভাগ্য নিয়ে হাজির কিছু শিশু!

দৃশ্যটি চিরচেনা হলেও আমরা অনেকেই জানি না এর মূল কারণটি। একি কোন সংস্কৃতি নাকি ভিন্ন কোন গল্প?

তাদের সঙ্গে নিয়ে সমান লয়ে সবুজের লড়াই মঞ্চে পা বাড়ান দু দেশের কান্ডারিরা। ২২ খেলোয়াড় প্রত্যেকে একজন শিশু নিয়ে প্রবেশের পর উভয় দলের নিজদেশের জাতীয় সংগীতের ১ম চার লাইন বাজানো হয়। এরপরই খেলোয়াড়দের সঙ্গে আসা ২২ শিশু মাঠ ত্যাগ করেন।

ধারণা করা হয়, মাঠে শিশুদের নিয়ে আসা হয় মূলত সৌভাগ্যের প্রতীক হিসাবে। মাঠে প্রবেশের সময় খেলোয়াড়দের সাথের এসব শিশুকে একটি নির্দিষ্ট জার্সি পরানো হয়। আর এর জন্য বাছাই করা হয় ৬ থেকে ১৮বছরের শিশুদের।

এ বিষয়ে বিশ্ব ফুটবলের আয়োজক সংস্থা ফিফার সাথে চুক্তি করেছে জাতিসংঘে শিশুদের জন্য সংগঠন ইউনিসেফ। বিশ্বব্যাপী শিশু পাচার, শিশুশ্রম, এইচআইভি এইডস এর মত ব্যাধি যাতে শিশুদের মাঝে না ছড়ায় সে ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি এমন পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানা গেছে।

২০০২ দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বকাপের আগের বছর ইউনিসেফের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয় বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক ফিফা। চুক্তি অনুসারে এবং ইউনিসেফের “শিশুদের জন্য হ্যাঁ বলুন (Say Yes for Children)” এর প্রচারণার অংশ হিসেবে ফিফার পরবর্তী সব খেলায় খেলোয়াড়দের সাথে শিশুদের মাঠে পাঠানো হয়।

শিশুদের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী চলমান সমস্যাগুলোর ব্যাপারে সবার দৃষ্টি আকর্ষণের লক্ষ্যে প্রতিটি খেলোয়াড়কে একেকটা রোল মডেল এবং বিভিন্ন দাতব্য কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখায় দলটির মূল্যবোধ ফুটিয়ে তোলার কথা বিবেচনা করেই এরূপ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

Leave a Reply

উপরে