আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > খেলাধুলা > ইংল্যান্ডের রেকর্ড সিরিজে হোয়াইটওয়াশ অস্ট্রেলিয়া!

ইংল্যান্ডের রেকর্ড সিরিজে হোয়াইটওয়াশ অস্ট্রেলিয়া!

ইংল্যান্ড ক্রিকেট টিম

প্রতিচ্ছবি স্পোর্টাস ডেস্ক:

অস্ট্রেলিয়ার কোচ হিসাবে শুরুটা মোটেও ইতিবাচক হল না জাস্টিন ল্যাঙ্গারের। অস্ট্রেলিয়া দল ইংল্যান্ডের কাছে পাঁচ ম্যাচের একদিনের সিরিজ হারল ০-৫ ব্যবধানে। স্মিথ-ওয়ার্নারকে হারিয়ে দলের ফর্ম যে এখন একদম তলানিতে তা প্রমাণিত হলো এই সিরিজের মাধ্যমে। শেষ ম্যাচে এক উইকেটের নাটকীয় জয়ে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ (৫-০) করার স্বাদ পেয়েছে ইয়ন মরগ্যানের দল।

ইংল্যান্ডের রেকর্ড সিরিজে হোয়াইটওয়াশ অস্ট্রেলিয়া [১]

তবে শেষ ম্যাচের হার কিছুটা স্বস্তিরও ছিল অস্ট্রেলিয়ার জন্য। কেননা শুরুর ম্যাচ গুলো ছিলো ইংলিশদের জন্য মোটামুটি ইতিহাস। প্রতিটা ম্যাচেই রাজত্ব করেছেন ইংলিশরা। সবম্যাচেই বিশাল ব্যবধানে হেরেছে অজিরা। শুধু মাত্র শেষ ম্যাচেই কম ব্যবধানে হার দেখে তারা।

এই সিরিজেই নিজেদের ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় ইতিহাসের জন্মদিল তারা। একদিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান, ইংল্যান্ডের রানের ব্যবধানে বড় জয়, অস্ট্রেলিয়ার রানের ব্যবধানে বড় হার, ইংল্যান্ডের হয়ে একদিনের ম্যাচে দ্রুততম ফিফটি- সবই হয়েছে নটিংহ্যামে দু’দেশের সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে। প্রথমবারের মত কোন দল হিসেবে এক ইনিংসে ৪৮১ রান তুলেছে ইংল্যান্ড।

আগের রেকর্ডও ছিল ইংল্যান্ডের। ২০১৬ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে করেছিল ৩ উইকেটে ৪৪৪ রান। এর আগের বড় জয় ছিল ২০১৫ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২১০ রানে। অস্ট্রেলিয়ার আগে বড় হার ছিল ১৯৮৬ সালে নিউজিল্যান্ডের কাছে ২০৬ রানে।

পুরো সিরিজে ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত খেলা ইংল্যান্ডকে শেষ ম্যাচেও জয়ের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিলেন বোলাররা, অজিদের মাত্র ২০৫ রানে আটকে রেখে। আগের ম্যাচে ৩১০ রান তাড়া করে ৬ উইকেটে জয় পাওয়া দলটির জন্য দুইশ ছোঁয়া লক্ষ্যই কঠিন হয়ে ওঠে শুরুর ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায়।

ইংল্যান্ডের রেকর্ড সিরিজে হোয়াইটওয়াশ অস্ট্রেলিয়া [২]

১১৪ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে বসা ইংলিশদের হয়ে একপ্রান্ত আগলে রেখে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান বাটলার। জয়সূচক বাউন্ডারি মেরে এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান যখন উদযাপনে মাতেন, নামের পাশে তখন অপরাজিত ১১০ রান। ১২২ বলের ইনিংসে ছিল ১২টি চার ও একটি ছয়ের মার।

শেষ ম্যাচে ৮৬ রানে ৬ উইকেট হারানো ইংল্যান্ডের হার সময়ের ব্যাপার মনে হলেও ম্যাচের ভাগ্য ঘুরিয়ে দেন বাটলার একাই। সপ্তম উইকেটে কুরানকে (১৫) নিয়ে ২৮ রানের একটি জুটি গড়ে দলীয় শতরান পার করেন বাটলার। ম্যাচ জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে আদিল রশিদকে নিয়ে নবম উইকেটে ৮১ রানের দুর্দান্ত জুটিটি।

জয় থেকে ১১ রান দূরে যখন ইংল্যান্ড তখন রশিদ ৪৭ বলে ২০ রান করে বিদায় নিলে আবার ম্যাচ চলে যায় অস্ট্রেলিয়ার দিকে। শেষ ব্যাটসম্যান জ্যাক বলের ১০ বলে ১ রানের অবদানও ম্যাচ জয়ে রাখে ভূমিকা। জয় থেকে ইংলিশরা যখন ২ রান দূরে, মার্কাস স্টয়নিসের ৪৯তম ওভারের তৃতীয় বলে কাভার দিয়ে চার মারেন জয়ের নায়ক বাটলার।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে দুর্দান্ত শুরুর পরও ২০৫ রানের বেশি তুলতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের ১৫.২ ওভার আগেই অলআউট হয় তারা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: অস্ট্রেলিয়া- ২০৫ (৩৪.৪ ওভার), ইংল্যান্ড- ২০৮/৯ (৪৮.৩ ওভার)

এসএম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

Leave a Reply

উপরে