আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > অপরাধ > ফেনসিডিল ব্যবসা: হাতেনাতে ধরা পড়লেন পুলিশের এএসআই

ফেনসিডিল ব্যবসা: হাতেনাতে ধরা পড়লেন পুলিশের এএসআই

মোটরসাইকেলের সিটের নিচে লুকানো ফেন্সিডিল

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক:

চুয়াডাঙ্গায় বিজিবি’র হাতে ধরা পড়ল পুলিশের ফেনসিডিল ব্যবসা। মাদক সেবন ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে পুলিশের এক এএসআইয়ের বিরুদ্ধে। এরইমধ্যে তাকে ক্লোজড করা হয়েছে।

সদর উপজেলার হিজলগাড়ী পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই তুহিন আক্তারের বিরুদ্ধে ফেনসিডিল বহনের অভিযোগে জেলা জুড়ে বইছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। অল্পের জন্য বিজিবি’র হাতে ধরা পড়েনি এএসআই তুহিন। তবে বিজিবি আটক করছে অভিনব কায়দায় ফেনসিডিল বহনরত তার নিজস্ব মোটরসাইকেলটি।

বিজিবি’র দর্শনা কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আব্দুল বারেক জানান, ঈদের পরদিন ১৮ জুন রোববার বিকেল ৫ টার দিকে আইসিপি ক্যাম্পের হাবিলদার ইকবাল হোসেন গোপন সংবাদে জয়নগর গ্রামে অভিযানে যান। দর্শনার সীমান্তবর্তী গ্রামের ব্র্যাক স্কুল সংলগ্ন একটি বাড়ির পেছনে গিয়ে তারা দেখতে পান দাঁড়ানো অবস্থায় লাল রংয়ের পালসার মোটরসাইকেলে অভিনব কায়দায় ফেনসিডিলের বোতল লোড করা হচ্ছে। এ সময় বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে দ্রুত সটকে পড়েন মাদক ব্যবসায়ীরা।

বিজিবি’র একটি সূত্র জানায়, ঘটনাস্থলের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন এএসআই তুহিন। পরিকল্পনা অনুযায়ী তার নিজেরই মোটরসাইকেলটি চালিয়ে ফেনসিডিল পৌঁছে দেয়ার কথা ছিল নির্দিষ্ট গন্তব্যে।

এএসআই তুহিনসহ ফেনসিডিল সরবরাহে জড়িতরা পালিয়ে গেলেও মোটরসাইকেলটি আটক করা হয়।

পরে জানা যায়, মোটরসাইকেলটি পুলিশের এএসআই তুহিনের। বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে সটকে যান তিনি। তবে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে সত্য। এরইমধ্যে এএসআই তুহিনকে ক্লোজড করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত এসপি মোহাম্মদ কলিমউল্লাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পর এএসআই তুহিনকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে। বিষয়টির আরো তদন্ত হচ্ছে। মাদকের সঙ্গে জড়িত কেউ-ই রেহাই পাবে না।

 

এআর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

Leave a Reply

উপরে