আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > রংপুর > কুড়িগ্রামের ভিজিএফ বিতরণে অনিয়ম

কুড়িগ্রামের ভিজিএফ বিতরণে অনিয়ম

চাল

প্রতিচ্ছবি কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে হতদরিদ্র ও দু:স্থদের মাঝে ভিজিএফ কার্ডের চাল বিতরণ নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে।

চাল বিতরণে নেয়া হয়েছে অনিয়ম, দুর্নীতি আর কৌশল। এ ছাড়াও তালিকায় ধনীরা ব্যক্তিরাও রয়েছে বলেও এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয় নামে, বে-নামে চাল তুলে তা বিক্রি করাসহ আত্মসাৎ করার চেষ্টাও করা হয়েছে। শুধু তাই নয় চাল আত্মসাৎ করতে গিয়ে এক ইউপি সদস্য কৌশলের আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করলেও তা প্রকাশ পাওয়ায় পরবর্তিতে জনতার হাতে আটক হওয়ায় তা নিয়ে শুরু হয়েছে তোলপাড়।

জানা গেছে, ঈদুল-ফিতর উপলক্ষে সরকারিভাবে চিলমারীতে ২৫ হাজার ১৬২ জনের জন্য ১০ কেজি করে ২৫১.৬২ টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়। তা উপজেলা ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে স্থানীয় ভাবে বিভাজন করেন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ। আর সেই সুযোগে কতিপয় জনপ্রতিনিধি ভিজিএফ এর চাল বিতরণে নামে বে- নামে মাস্টার রোল তৈরি করে নেয় দুর্নীতির আশ্রয় এবং তাদের এই অনিয়ম আর দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত হয় সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারাও।

 আর এই সুযোগে হতদরিদ্র ও দুঃস্থদের জন্য দেয়া চাল সঠিকভাবে বিতরণ না করেই সংশ্লিষ্টরা নিজের পকেট ভরায় আর সুবিধাভোগীরা থেকে যায় সরকারি সুযোগের বাহিরে। সরজমিনে বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে জানা গেছে শুধু চাল বিতরণে অনিয়মের আশ্রয় নেয়া হয় নি যাদের দেয়া হয়েছে তাদের দেয়া হয়েছে ওজনে অনেক কম। সুবিধাভোগীরা জানান আমরা শুনেছি ১০ কেজি চাল দেয়ার কথা কিন্তু দেয়া হচ্ছে ৭ থেকে সাড়ে ৮ কেজি। আবার অনেকে জানান, অনেকের পরিবারে একাধিক নাম দিয়ে ১টি রেখে বাকিগুলো সংশ্লিষ্ট জনপ্রনিধিকে দেয়া লাগছে। এছাড়াও নামে, বে-নামেও চাল তুলে আত্মসাৎ করা হচ্ছে।

এদিকে অভিযোগ উঠেছে উপজেলার নয়ারহাট ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার বরাদ্দকৃত সব চাল বিতরণ না করেই ৫ বস্তা চাল কৌশলে আত্মসাৎ করার চেষ্টা করলে ঈদের রাতেই তা জনতা উদ্ধার করে। আর এই খবর ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য সেকেন্দার আলী তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন কার্ডধারীরা না আসার তা পরে বিতরণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসার উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অফিসার সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন, এরকম হওয়ায় কথা নয়। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মির্জা মুরাদ হাসান বেগ বলেন অভিযোগের ভিত্তিত্বে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে । কমিটির প্রতিবেদন পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মমিনুল ইসলাম বাবু/ইএ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

Leave a Reply

উপরে