আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > জাতীয় > ঈদ আনন্দে সিডিউল বিপর্যয়

ঈদ আনন্দে সিডিউল বিপর্যয়

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক:

ঈদুল ফিতরের বাকি মাত্র একদিন। স্বজনদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে অনেকে কয়েকঘণ্টা আগেই কমলাপুরে এসেছেন। তবে ঈদে বাড়ি ফিরতে ট্রেন ভ্রমণ নিরাপদ হলেও সিডিউল বিপর্যয়ের কারণে ভোগান্তিতে যাত্রীরা। আবার অনেকের মাঝে হতাশার কথা ও শোনা গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা-খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস সকাল ৬টা ২০ মিনিটে কমলাপুর থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের একঘণ্টা পর ট্রেনটি ছেড়ে যায়।

অন্যদিকে, নীলসাগর এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে চিলাহাটির উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল সকাল ৮টায়। কিন্তু ট্রেনটি ঠিক সময়ে কমলাপুর প্লাটফর্মে এসে পৌঁছায়নি। কাজেই সকাল ১০টার আগে ট্রেনটি ছাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন কর্মকর্তা জানান, তবে ট্রেনের টেকনিক্যাল ও অবকাঠামোগত কোনো সমস্যা নেই। মূলত অতিরিক্ত যাত্রীর চাপেই ট্রেন ছাড়তে বিলম্ব হচ্ছে। ঈদযাত্রায় সবাইকে সুযোগ করে দিতেই ইচ্ছাকৃতভাবে ট্রেন দেরিতে ছেড়ে যাচ্ছে।

ঈদুল ফিতরের উৎসব পরিবারের সঙ্গে উদ্‌যাপন করতে কয়েক দিন ধরেই রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছে মানুষ। গতকাল বুধবার থেকে শুরু হয়েছে বিশেষ ট্রেন সেবা। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ে বিভিন্ন রুটে নিয়মিত ট্রেন ছাড়াও ৯ জোড়া বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে। আগে আগে নানা প্রস্তুতি নেওয়া, আন্ত নগর ট্রেনের সাপ্তাহিক বিরতি বাতিলসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেজানা যায়, বিভিন্ন স্টেশনে যাত্রী তোলার কারণে রাজধানী থেকে ছেড়ে যাওয়া ৬৩টি ট্রেনই ছিল যাত্রীতে ঠাসা। আর যাত্রী তুলতে গিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের বেশি সময় থামতে হওয়ায় ট্রেনগুলোর বেশির ভাগই গন্তব্যে পৌঁছে দেরিতে। ভোর থেকে সকাল ১০টা পর্যন্তই ২১টি ট্রেন কমলাপুর থেকে ছেড়ে যায়। কমলাপুর থেকে বেশির ভাগ ট্রেনের ছেড়ে যেতে দেরি হয়। সেই সঙ্গে বিভিন্ন ট্রেনে পর্যাপ্ত আসন, বগি ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা না থাকায় তীব্র গরম ও ভিড়ে যাত্রীদের খুব ভোগান্তি পোহাতে হয়।

গতকাল রাজশাহী, জামালপুর, দেওয়ানগঞ্জ, দিনাজপুরের পার্বতীপুর, লালমনিরহাট ও খুলনার উদ্দেশে কমলাপুর ছেড়ে যাওয়া ঈদের বিশেষ ট্রেনে ছিল প্রচণ্ড ভিড়। দেওয়ানগঞ্জগামী বিশেষ ট্রেন সকাল পৌনে ৯টায় ছাড়ার কথা ছিল। তা ছেড়ে যায় প্রায় এক ঘণ্টা পর। ছাদের যাত্রীরা তখন রোদ মাথায় নিয়ে অপেক্ষায় ছিল। জানালায় পা রেখে ট্রেনের ছাদে উঠতে গিয়ে পড়ে যাচ্ছিলেন সবজি ব্যবসায়ী সবুজ মিয়া। অন্যরা সহযোগিতা করায় তিনি কোনো রকমে ছাদে ওঠেন, তবে ছাদেও ছিল ভিড়ের পরও ট্রেনের সময়সূচি ভেঙে পড়েছে।

ইএ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

Leave a Reply

উপরে