আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > লাইফ-স্টাইল > ইফতারে ‘টক দই’

ইফতারে ‘টক দই’

sour-yougart

প্রতিচ্ছবি লাইফস্টাইল ডেস্ক:

টক দই একটি lactic fermented খাবার। দরকারী ভিটামিন, মিনারেল, আমিষ ইত্যাদি থাকায় এটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। তাই ডাক্তার বা পুষ্টিবিদেরা সবসময়ই টক দই খেতে পরামর্শ দেন।

দুধের চাইতে বেশি ভিটামিন থাকায় টক দইকে দুধের চাইতেও বেশি পুষ্টিকর খাবার হিসাবে গণ্য করা হয়। টক দইয়ে আছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস টক দইতে পাওয়া যায়। এতে কোনো কার্বোহাইড্রেট, চিনি ও ফ্যাট নেই।

তাই অনেকেই ডায়েটের সঙ্গী হিসেবে বেছে নেন টক দই। এমনকি রোগ প্রতিরোধ করতে ও রোগ সারাতে সাহায্য করে।
কিছুটা স্বাদহীন হওয়ায় লাচ্ছি, বোরহানি, লাবাং এর মতো পানীয় তৈরির পাশাপাশি সালাদ, রায়তা, ফুচকা, ছোলা চাট, পাপড়ি চাট, দই বড়া এমনকি দই চিকেনের মত বিভিন্ন রান্নায়ও বিভিন্ন ভাবে খাওয়া হয় টক দই।

borhani-doi-chicken

লো ক্যালোরি যুক্ত হওয়ার পরও টক দই শরীরে প্রচুর শক্তি যোগায়, হাড় শক্ত করে। তাই প্রতিদিন ইফতারের টেবিলে এ একটা দই এর পদ রাখতেই পারেন অনায়াসে। খাবারের পদে ভিন্নতা আসবে, খেতে ভালো এবং স্বাস্থ্যকর।

টক দই ২৫০ গ্রাম, সালাদের জন্য ইচ্ছামতো ফল (আপেল, আম, কলা, আনার, খেজুর, চেরি, আঙ্গুর, স্ট্রবেরি) কিউব করে কাটা দুই কাপ, জিরা গুঁড়া আধা চা চামচ, পুদিনা পাতা কুচি এক চা চামচ, লবণ সিকি চা চামচ। তবে কেউ মিষ্টি খেতে পছন্দ করলে সেক্ষেত্রে চিনি মেশাতে পারেন। তবে চিনি ছাড়াও বিভিন্ন মিষ্টি ফল দিয়েও ফ্রুট সালাদ বানাতে পারবেন।

ফ্রুট সালাদ
ফ্রুট সালাদ

যেভাবে তৈরি করবেন :

১.   দই হালকা করে ফেটে নিন। এর সঙ্গে কাঁচা মরিচ কুচি, পুদিনা পাতা, জিরা গুঁড়া, লবণ মেশান। মিষ্টির ক্ষেত্রে শুধু স্বাদমত চিনি মেশাতে         পারেন।

২.   পরিবেশন পাত্রে ফলের কিউবের সঙ্গে হালকা হাতে দই  মিশিয়ে নিন।

৩.   ইচ্ছামতো সাজিয়ে ফ্রিজে ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করুন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

Leave a Reply

উপরে