আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > জাতীয় > পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস’

পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস’

mostofa jobber

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক:

আজ ১৭ মে সারাবিশ্বে পালিত হচ্ছে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস-২০১৮। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘সবার জন্য কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তার ইতিবাচক ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি’।

বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস-২০১৮ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাঙ্ক্ষিত সেবা ও গুণগত মান নিয়ে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

টেলিযোগাযোগ সেবায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসিকে আরো সক্ষম হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মোস্তাফা জব্বার বলেন, “আমরা ইতিমধ্যে বাংলাদেশের জনগণের কাছে টেলিযোগাযাগ ও তথ্যপ্রযুক্তিকে যেভাবে পৌঁছে দিতে পেরেছি সেটা গর্ব করার মত।

“কিন্তু এটিও বাস্তবতা আমার গত সাড়ে চার মাসের মত মন্ত্রীত্বকালীন সময়ে যার কাছে গিয়েছি, যখনই গিয়েছি, তখনই ছোট্ট করে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে যে পরিমাণ সেবা তাদের কাছে পৌঁছানো উচিত ছিল, আমাদের সেবার যে গুণগত মান থাকা উচিত ছিল, সে জায়গাতে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ আছে।”

দেশে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট গ্রাহক বাড়লেও গ্রাহকরা প্রায়ই উচ্চমূল্যের পাশাপাশি ইন্টারনেট ধীরগতি, নেটওয়ার্ক সমস্যা, সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া ও ব্যবহারের চেয়ে বেশি টাকা কেটে নেওয়াসহ নানা বিষয়ে অভিযোগ করে আসছেন।

সেবার মানের দিকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “যারা টেলিকম অপারেটর আছেন তাদের প্রতি অনুরোধ করব, বিটিআরসির প্রতি অনুরোধ করব, আমাদের এই সেবাগুলো জনগণের জন্য, জনগণ যদি তৃপ্ত না থাকে এবং জনগণ যদি ক্ষুদ্ধ থাকে তাহলে এ সেবা কোনোভাবেই আসলে তাদের কল্যাণে কাজে লাগে না।”

“আমাদের কেবল মাত্র সংখ্যার দিকে তাকালে হবে না। গুণগত মানের দিকে তাকাতে হবে এবং জনগণকে তার হাতিয়ার হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তি এবং টেলিযোগাযাগকে ব্যবহার করার সকল সক্ষমতা দিতে হবে।”

এ বছরের শেষ নাগাদ দেশের সব ইউনিয়নে ব্রডব্যান্ড সংযুক্তি পৌঁছে যাবে বলেও জানান মন্ত্রী।

পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সাথে বাংলাদেশ ফাইভ-জি যুগে প্রবেশ করবে আশা প্রকাশ করে মোস্তাফা জব্বার বলেন, “২০১৮ সালের শেষ নাগাদ ফাইভ-জি চিপ বাজারে আসছে। আমাদের মনে রাখতে হবে মোবাইলের যাত্রার সময় পিছিয়ে ছিলাম, থ্রিজি ও ফোর-জিতে পিছিয়ে ছিলাম। আমাদের অনুভব করতে হবে ফাইভ-জি নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়তে পারে না। যে সময় সারা পৃথিবী এই প্রযুক্তি গ্রহণ করবে সে সময় গ্রহণ করে প্রয়োগ করতে হবে।”

এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব সাইফুল ইসলাম, বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জেএস

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

Leave a Reply

উপরে