আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > আন্তর্জাতিক > এরদোগানকে নিয়ে হ্যাশট্যাগ যুদ্ধ!  

এরদোগানকে নিয়ে হ্যাশট্যাগ যুদ্ধ!  

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান

প্রতিচ্ছবি আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

১৫ বছর ধরে শাসনভারে থাকা তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়ে একটি প্রচারণা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় তুলেছে।

দেশটিতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের তারিখ ২৪ জুন ঘোষণার পর নতুন করে এই রাজনৈতিক উত্তেজনা শুরু হলো।

মঙ্গলবার পার্লামেন্টে দেয়া ভাষণে তুরস্কের শাসনভারে থাকা প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেছিলেন, ‘যদি একদিন দেশের জনগণ বলে ওঠে যথেষ্ট হয়েছে। তাহলে আমরা সরে দাঁড়াবো।’

এরদোগানের এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অসংখ্য তুর্কি হ্যাশট্যাগ #তামাম যার অর্থ ‘যথেষ্ট’ লিখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা শুরু করেছে। যার মানে দাঁড়ায় তারা ১৫ বছর ধরে যথেষ্ট সহ্য করেছে। মঙ্গলবার বিকেলের মধ্যে এই হ্যাশট্যাগ প্রায় ২০ লাখ বার ব্যবহার হয়। সেখানে অনেকেই প্রেসিডেন্ট ও তার ক্ষমতাসীন দল একে পার্টির তীব্র সমালোচনা করে। বিষয়টি জনমনে সাড়া তোলায় ওই রাতেই সরকারি অ্যাকাউন্টগুলো এক হয়ে হ্যাশট্যাগ #দেভাম লিখে পাল্টা প্রচারণা শুরু করে। যার অর্থ ‘চালিয়ে যাও’ এটি এখন পর্যন্ত তিন লাখ বার ব্যবহার হয়েছে।

এক ইন্সটাগ্রাম ব্যবহারকারী এই #তামাম এবং #দেভামের মধ্যে যুদ্ধকে সুপারহিরোদের লড়াইয়ের সঙ্গে তুলনা করেন। বিরোধী রিপাবলিকান পিপলস পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী মুহাররেম ইন্স মন্তব্য করেছেন, এরদোগানের সময় শেষ হয়ে এসেছে। হাজার হাজার  মানুষ কেবল হ্যাশট্যাগ #তামাম লিখেই টুইট করেছেন। আবার অনেকে এরদোয়ান বিরোধী স্লোগান যুক্ত করে কিছুটা ভিন্ন আঙ্গিকে পোস্ট শেয়ার করেছেন। কেউ খুব কড়া ভাষা ব্যবহার করেছেন। কেউবা ভদ্রতার সঙ্গে ক্ষোভ উগ্রে দিয়েছেন।

তুর্কি কর্তৃপক্ষ এর আগে টুইটার এবং ফেসবুকের মতো সোশ্যাল মিডিয়ার সাইটগুলোতে প্রবেশের সুযোগ সীমিত করার পাশাপাশি উইকিপিডিয়ায় প্রবেশের সব পথ বন্ধ করে দিয়েছিলো।

পরে উইকিপিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা জিমি ওয়েলস, সেই হ্যাশট্যাগের উদাহরণ টেনে প্রেসিডেন্ট  এরদোগানকে উইকিপিডিয়া অবরোধ তুলে নিয়ে জনগণের কথা শোনার আহ্বান জানান।

এসএইচ/ জেএস

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

Leave a Reply

উপরে