আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > অর্থ-বাণিজ্য > ‘ব্যাংকিং খাতে বিশৃঙ্খলা, অর্থনীতি ভ্রমে’

‘ব্যাংকিং খাতে বিশৃঙ্খলা, অর্থনীতি ভ্রমে’

সিরডাপ মিলনায়তনে জাতীয় বাজেট ২০১৮-১৯ উপলক্ষ্যে সিপিডির সুপারিশমালা শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক:

দেশ এখন কর্মসংস্থানহীন প্রবৃদ্ধির ধারা থেকে বেরিয়ে আয়হীন কর্মসংস্থানের দিকে এগুচ্ছে বলে মন্তব্য করে সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ব্যাংক খাতে চরম বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। এ খাত বর্তমানে এতিম অবস্থায় রয়েছে। এজন্য ব্যাংকের রক্ষকরাই ভক্ষক হিসেবে কাজ করছে। ফলে আমাদের অর্থনীতি এখন একটা ভ্রমের মধ্যে রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ এপ্রিল) সিরডাপ মিলনায়তনে জাতীয় বাজেট ২০১৮-১৯ উপলক্ষ্যে সিপিডির সুপারিশমালা শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, ‘চলতি অর্থবছর শেষে রাজস্ব ঘাটতি দাড়াবে ৫০ হাজার কোটি টাকা।

তিনি বলেন, ‘জিডিপির বিষয়ে সরকারের যে হিসাব, বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও সামঞ্জস্যতা নেই। জিডিপির প্রবৃদ্ধির হারের সঙ্গে আয় বৃদ্ধির হার এবং কর্মসংস্থানের হারের যে সামঞ্জস্যতা থাকার কথা, সেটি নেই। বর্তমানে মানুষের আয়হীন কর্মসংস্থান হচ্ছে। ’

তিনি আরও বলেন, ‘জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ হোক, ৭ শতাংশ হোক, ৮ শতাংশ হোক তাতে কিছুই যায় আসে না। ফলাফল কী সেটাই মূল কথা। কর্মসংস্থান বেড়েছে, কিন্তু প্রকৃত আয় কমেছে আড়াই শতাংশের মতো। এই কর্মসংস্থানের মধ্যে আবার পুরুষদের চেয়ে নারীদের আয় কমেছে। শহরের চেয়ে গ্রামীণ আয় কমেছে। আগে বলা হতো, পড়াশোনা করে যে, চাকরি-বাকরি পায় সে। কিন্তু বর্তমানে পড়াশোনা করেও অনেকেই চাকরি পাচ্ছে না।’

ড. দেবপ্রিয় বলেন, ‘আগে আমরা উচ্চতর প্রবৃদ্ধির তাগাদা দিতাম। কিন্তু এখন বিষয়টি সেরকম না। এখন দরকার শোভন কর্মসংস্থান। যাদের কর্মসংস্থান হয়েছে তাদের আয় কম। আবার শ্রমের পরিবেশও নাই।’

বিনিয়োগের ক্ষেত্রে তিনি বলেন, ‘জিডিপি প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতে কয়েক বছর ধরে বিনিয়োগ স্থবির রয়েছে।  অথচ বেসরকারি খাতে সাড়ে ১৮ শতাংশ ঋণের  প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এত টাকা গেলো কোথায়? অথচ আমদানি বাড়ছে। এই টাকা পাচার হয়েছে কিনা তা নিয়ে আমার সংশয় রয়েছে।’

আর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

Leave a Reply

উপরে