আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > ক্যাম্পাস > কোটা সংস্কার: ৩ নেতাকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ

কোটা সংস্কার: ৩ নেতাকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক:

রাজধানীর চাঁনখারপুল এলাকা থেকে গামছা দিয়ে চোখ বেঁধে গাড়িতে তুলে নেওয়া কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা ৩ জনকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ওই তিন জনের এক জন এবং বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হোসেন গণমাধ্যমকে তাদের ছেড়ে দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। বিকেল ৪টায় এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।’

এরা হলেন- বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান, ফারুক হোসেন ও নুরুল্লাহ নূর।

এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে সংবাদ সম্মেলন শেষ করে চানখাঁরপুলের দিকে যাওয়ার সময় তাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ সংগঠনটির আহ্বায়ক হাসান আল মামুন।

এদিকে ডিবির যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন বলেন, কিছু তথ্য সহযোগিতার জন্য আনা হয়েছিল তাদের। কিছু ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয়েছে। সেগুলোর বিষয়ে তাদের কাছ থেকে তথ্য নেওয়া হয়েছে। তাদের আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি। সবার কাছ থেকেই তথ্য নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আন্দোলনরত সংগঠনটির তিন নেতাকে সাদা পোশাকে তুলে নেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একই সঙ্গে তাদেরকে ছেড়ে না দেয়া হলে আবারও আন্দোলনের ডাক দেয়া হওয়া বলেও জানানো হয়।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের সামনে থেকে সাদা মাইক্রোবাসে করে তিনজনকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের সমন্বয়ক হাসান আল মামুন বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান।

এর আগে সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সেখানে কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যে মামলা হয়েছে, আগামী দুই দিনের মধ্যে তা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।

এছাড়া দৈনিক ইত্তেফাকের একটি সংবাদের প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্হাগারের সামনে আজ (সোমবার) সংবাদ সম্মেলন করেন আন্দোলনকারীরা। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন নুরুল হক নুর, যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান ও ফারুক হাসান। এ সময় তারা বিকেল ৫টার মধ্যে ইত্তেফাককে ক্ষমা চাইতে বলেন। অন্যথায় মঙ্গলবার থেকে সকল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পত্রিকাটি বর্জনের হুমকি দেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, একটি কুচক্রিমহল আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। প্রধানমন্ত্রী যখন ছাত্র সমাজের ক্ষোভের কথা বুঝতে পেরে দাবি মেনে নিয়েছেন তখন একটি মহল এটি বানচালের চেষ্টা করছে।

এর পরই পরিষদের নেতারা ঢামেক হাসপাতালে আন্দোলনের বিভিন্ন সময়ে হামলায় অসুস্থ নেতাকর্মীদের দেখতে যান। সেখান থেকে বেরিয়ে আসার পথেই তিন নেতাকে তুলে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়।

এসএম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

Leave a Reply

উপরে