আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > খেলাধুলা > রক্ষণভাগের পা থেকে গোলের গল্প!

রক্ষণভাগের পা থেকে গোলের গল্প!

প্রতিচ্ছবি ক্রীড়া প্রতিবেদক:

বাংলাদেশের ফুটবলাররা গোল করতে জানেন না, এ অভিযোগটা বেশ পুরোনো। তবে নারী ফুটবলারদের ক্ষেত্রে কথাটা হালে পানি পাবে না। মেয়েদের ম্যাচ মানেই দুর্দান্ত সব গোলের পসরা। আজই যেমন মালয়েশিয়াকে ১০ গোল দিয়েছে বাংলাদেশ—গোলদাতা সাতজন!

হংকংয়ে চার জাতি জকি ক্লাব মহিলা ফুটবলে আজ দুর্দান্ত শুরু করেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ নারী ফুটবল দল। মালয়েশিয়াকে ১০-১ ব্যবধানে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে তারা। যেকোনো পর্যায়ের ফুটবলেই অনেক বড় এক জয়। আরও ভালো বিষয়, কোনো একক খেলোয়াড়ের ওপর নির্ভর করে এ জয় পায়নি দল। সাতজনে মিলে করেছে ১০ গোল। অর্থাৎ দলের প্রায় সবার চেনা আছে গোলের রাস্তাটা। এরই উল্টো পিঠে লুকিয়ে আছে হতাশাও, তিনজন যে হাতছাড়া করেছেন হ্যাটট্রিক করার সুযোগ।

গোল দেওয়ার উৎসবে নাম লিখিয়েছেন তহুরা খাতুন, শামসুন্নাহার, আনাই মগিনি, সাজেদা খাতুন, আনুচিং মগিনি, নিলুফা ইয়াসমিন ও শামসুন্নাহার (জুনিয়র)। এদের মধ্যে জোড়া গোল তহুরা খাতুন, শামসুন্নাহার ও আনাই মগিনির।

এদের মধ্যে শামসুন্নাহার ও আনাই মগিনি ফুলব্যাক। আনাই রাইটব্যাক ও শামসুন্নাহার লেফটব্যাক পজিশনে খেলেন। সম্প্রতি শামসুন্নাহারকে খেলানো হচ্ছে উইঙ্গার পজিশনে। লেফটব্যাক পজিশনে যে নিলুফার ইয়াসমিনকে খেলানো হচ্ছে—সে-ও করেছে এক গোল। রক্ষণভাগের পা থেকে গোলের গল্প এখানেই শেষ নয়। আজ বাংলাদেশের গোলের খাতায় নাম তোলা সাজেদার পজিশন সেন্টারব্যাক। অর্থাৎ ১০ গোলের ছয়টি এসেছে ডিফেন্ডারদের পা থেকে। দলের জন্য এর চেয়ে ভালো দিক আর কী হতে পারে! বাকিদের মাঝে জোড়া গোল করা তহুরাই দলের ‘নম্বর নাইন’। আর বদলি নেমে একটি করে গোল করা আনুচিং ও শামসুন্নাহার জুনিয়রও খেলেন ফরোয়ার্ড হিসেবে।

আগামীকাল দ্বিতীয় ম্যাচে ইরানের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের অন্য দলটি স্বাগতিক হংকং। তিন ম্যাচ শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা দলটিই হবে চ্যাম্পিয়ন।

এআর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

Leave a Reply

উপরে