আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > ঢাকা > ভালুকায় বিস্ফোরণে দগ্ধ তিনজনই না ফেরার দেশে

ভালুকায় বিস্ফোরণে দগ্ধ তিনজনই না ফেরার দেশে

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক:

ময়মনসিংহের ভালুকায় বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ তিনজনই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

সর্বশেষ শুক্রবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে দীপ্ত সরকারের মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘ ছয় দিন ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি ছিলেন দীপ্ত।

ঢামেকের বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শংকর পাল জানান, তার শরীরের ৫৪ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত দেড়টায় ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাফিজুর রহমানের (২৪) মৃত্যু হয়।

তার আগে বুধবার রাতে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান দগ্ধ শাহীন।

এ নিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় সবাই মারা গেলেন।

ঢাকা মেডিকেলের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এই নিয়ে ভালুকার ওই বিস্ফোরণের ঘটনায় চারজনেরই মৃত্যু হলো। নিহতরা সবাই খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষার্থী ছিলেন। ভালুকায় স্কয়ার ফ্যাশন নামে একটি টেক্সটাইল মিলে ইন্টার্ন করছিলেন তারা।

গত শনিবার দিবাগত রাতে ভালুকার মাস্টারবাড়ি এলাকার ছয় তলা বিশিষ্ট আর এস টাওয়ারের তিন তলায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পর জানালার গ্রিল ও কাঁচ ভেঙে প্রায় ১০০ মিটার দূরে গিয়ে ছিটকে পড়ে। বিস্ফোরণে ভবনটির তৃতীয় তলার পেছনের পার্টিশনওয়াল ও জানালার গ্লাস ভেঙে যায়। জানালার অ্যালুমিনিয়ামের স্ট্রাকচারও পড়ে যায়। ৫০ কেজি ওজনের জানালা ও বারান্দার গ্রিল কমপক্ষে ৫০ মিটার দূরে গিয়ে পড়ে।

বিস্ফোরণের সময় ঘটনাস্থলেই মারা যান তৌহিদ অপু নামে একজন। দগ্ধ হন তিনজন। রবিবার ভোরে দগ্ধদের ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বুধবার মারা যান শাহীন। দগ্ধ বাকি দুইজনের মধ্যে হাফিজুর গতকাল রাত দেড়টার দিকে মারা যান। আর দীপ্ত সরকার মারা যান শুক্রবার সকালে।

এসএম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

Leave a Reply

উপরে