আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > খেলাধুলা > ভারতকে সৌরভের পরামর্শ: ‘সাকিবদের নিয়ে হেলাফেলা নয়’

ভারতকে সৌরভের পরামর্শ: ‘সাকিবদের নিয়ে হেলাফেলা নয়’

ভারতকে সৌরভের পরামর্শ: ‘সাকিবদের নিয়ে হেলাফেলা নয়’

প্রতিচ্ছবি স্পোর্টস ডেস্ক:

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমির মঞ্চে  আজ ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। সেমিফাইনাল এই ম্যাচটি নিয়ে ক্রিকেট দুনিয়ায় বিরাজ করছে তুমুল উত্তেজনা। গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচ নিয়ে ক্রিকেট বোদ্ধারাও মেতেছেন  নানা আলোচনায়।

কেননা সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বড় দলগুলোর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়ছে মাশরাফিরা। বাংলাদেশ দলের শক্তিমত্তা সম্পর্কে কেউ জানুক বা না-ই জানুক, ঠিকই টের পেয়েছেন ভারতীয় সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি। এই ম্যাচ নিয়ে ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকায় সাবেক এই অধিনায়কের একটি কলাম ছাপা হয়েছে। আর এ কলামের মাধম্যেই বিরাটদের প্রতি তার পরামর্শ। ‘সাকিবদের নিয়ে হেলাফেলা নয়।’

তার মতে ভারত শক্তিমত্তার বিচারে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে। কিন্তু একটু অসাবধান হলেই পিছলে পড়ার একটা আশঙ্কা এ সব ম্যাচে থেকেই থাকে। কিন্তু ২২ গজে কত কিছুই না হতে পারে।

আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রথম আটে আছে বলেই বাংলাদেশ এই টুর্নামেন্টে খেলছে। এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ প্রতিটা ম্যাচের সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের খেলায় উন্নতি করেছে। শেষে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওরা দেখাল, কতটা ওপরে উঠতে পারে, কতটা ভাল ক্রিকেট খেলতে পারে।  ওদের দলের ব্যালান্স কেমন, তা এই ম্যাচেই বোঝা গিয়েছে। এই ব্যালান্সটা ওদের ভারতের বিরুদ্ধে ধরে রাখাটা খুব জরুরি। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং— কোনওটাই ওদের খারাপ নয়। তবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা ওদের মানসিকতার।

তাদের রয়েছে বেশ কিছু তারকা খেলোয়াড়। যারা গড়ে দিতে পারে ম্যাচের ভাগ্য। টাইগারদের হয়ে দারুণ ফর্মে তামিম ইকবাল। শেষ ম্যাচে ব্যাট হাতে জয়ের নায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আর বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সঙ্গে পেস আক্রমণে ঝলক দেখাতে পারেন মোস্তাফিজুর রহমান।

অপরদিকে তারকাঠাসা দল নিয়ে এবার চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে লড়ছে ভারত। অশ্বিন দলে ফেরায় রবীন্দ্র জাডেজার ভূমিকাটাই পুরো বদলে গিয়েছে। ভুবনেশ্বর, বুমরা ও হার্দিকের পেস ত্রয়ীকে সামলানো ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। আর ব্যাটিং নিয়ে যতই লিখি, ততই কম মনে হবে। শিখর ধাওয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিকে প্রায় ওর সেরা টুর্নামেন্ট করেই ফেলেছে। মিডল অর্ডারও ভয়ঙ্কর ফর্মে রয়েছে।

বিরাটের ফর্মের সঙ্গে সঙ্গে ওর ক্যাপ্টেন্সিও প্রতি ম্যাচে আরও ধারালো হয়ে উঠছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ওর অসাধারণ ক্যাপ্টেন্সির পরিচয় পাওয়া গিয়েছে দারুণ ভাবে। সবচেয়ে বড় কথা দলের ছেলেদের কী করে বড় যুদ্ধের জন্য তৈরি করতে হয়, তা ওর খুব ভাল করে জানা আছে। দলের ছেলেদের বিরাট নিশ্চয়ই বুঝিয়ে দিয়েছে যে বাংলাদেশকে একেবারেই হাল্কা ভাবে নেওয়া উচিত হবে না।

দলের সিনিয়রদের উচিত জুনিয়রদের পথ দেখানো। আবেগে ভেসে যাওয়া বা চাপের কাছে মাথানত করা, কোনওটাই যেন ওরা না করে। আর পাঁচটা স্বাভাবিক ম্যাচের মতোই খেলা উচিত।

ভারত-বাংলাদেশ এখন ক্রিকেট দুনিয়ায় একটা বড় শত্রুতা। ইংল্যান্ডে দুই দেশেরই প্রচুর সমর্থক থাকেন আর এই ম্যাচে তাঁরা নিশ্চয়ই থাকবেন। তাই ম্যাচটা যে মাঠের বাইরেও হাড্ডাহাড্ডি হবে, সেই আশা করাই যায়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে