আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > খেলাধুলা > ১৬ মার্চ: রানার জন্য হোক আরেকটি জয়!

১৬ মার্চ: রানার জন্য হোক আরেকটি জয়!

মানজারুল ইসলাম রানা

প্রতিচ্ছবি স্পোর্টস ডেস্ক:

ক্যালেন্ডারের পাতায় ১৬ মার্চ দিনটা স্মরণীয় হয়েই থাকবে টাইগারদের জন্য। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য দিনটা যে শোককে শক্তি বানানোর বিশাল এক উপলক্ষ। আজকের এই দিনে বাংলাদেশ দলের হয়ে খেলা সবকয়েকটি ম্যাচেই জিতে বাংলদেশ দল। দিনটি শোককে শক্তিতে পরিণত করে টাইগাররা।

আজ ১৬ মার্চ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক খেলোয়াড় মানজারুল ইসলাম রানার ১১ তম মৃত্যুবার্ষিকী। সেই সঙ্গে মৃত্যুদিন খুলনা বিভাগীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার সাজিদুল ইসলাম সেতুর। সাবেক এই ক্রিকেটারদের মৃত্যুদিবসে শোককে শক্তিতে পরিণত করে টানা দুইবার ভারতকে বধ করে বাংলাদেশ। আরেকবার আফগানিস্তানকে উড়িয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। রানার মৃত্যবার্ষিকীতে আজও তার জন্য বাংলাদেশকে কী আরেকটি জয় উপহার দেবে টাইগাররা?

মানজারুল ইসলাম রানার মৃত্যুদিবসে আজ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। টাইগাররা আজ নিশ্চয়ই আবারও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে মাঠে নামবে। আবারও চাইবে রানার জন্য আরেকটি জয়। আর এই জয়ে হয়তো আবারও পুরো বাংলাদেশ স্মরণ করবে জাতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার রানাকে। এ ম্যাচে জিতলেই নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে উঠে যাবে বাংলাদেশ।

২০০৭ সালের ১৬-ই মার্চ, মাঞ্জারুল ইসলাম রানা ও তার সতীর্থ সাজ্জাদুল হোসেন সেতু বাইকে করে অনুশীলন থেকে ফিরছিলেন। কিন্তু রাস্থায় একটি এম্বুলেন্সর সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে জায়গাতেই মৃত্যু হয় রানার। আর সেতুকে হাসাপাতলে নেওয়া কিছু সময়পর তিনিও মৃত্যুবরণ করেন। পরদিনই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ। রানা-সেতুর মৃত্যুর দুঃসংবাদটি তাই বিমূঢ় করে দিয়েছিল গোটা বাংলাদেশ দলকে।

সাজিদুল ইসলাম সেতু

কিন্তু সেই শোককে বাংলাদেশ দল শক্তিতে পরিণত করেছিল। বিশ্বকাপে যে ভারত-বধ করেছিল বাংলাদেশ। পোর্ট অব স্পেনে বাংলাদেশের কাছে ৫ উইকেটে হেরে বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিয়েছিল শক্তিশালী ভারত।

এছাড়া ২০১২ সালে রানার ঠিক মৃত্যুদিনে আরেকবার ভারত-বধ করেছিল বাংলাদেশ। সেটি ছিল আবার শচীন টেন্ডুলকারের শততম আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরির দিন। এশিয়া কাপে ঢাকায় ২৯০ রান তাড়া করে ভারতকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টেন্ডুলকারের শততম সেঞ্চুরি ম্লান করে দিয়েছিল বাংলাদেশ। ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে এই দিনেই ঢাকায় আফগানিস্তানকে উড়িয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ।

রানা বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে ২৫টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছেন। জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে পরপর দুইম্যাচে চারটি করে উইকেট, এটি তার ক্ষুদ্র ক্রিকেট ক্যারিয়ারের হাইলাইটস; যা আমাদেরকে প্রথমবারের মতো ওডিয়াই সিরিজ জিততে সাহায্য করে। বাংলাদেশের ক্রিকেটে সাকিবরে উন্থানের আগে তাকে একজন যোগ্য অলরাউন্ডার মনে করা হত।

রানার সতীর্থ সাজ্জাদুল হোসেন সেতু জাতীয় দলের হয়ে কোন ম্যাচ খেলেনি। খুলনার হয়ে ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে খেলেছেন ৫০টি ম্যাচ এবং করেছেন ২৪৪৩ রান।

এসএম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

Leave a Reply

উপরে