আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > অপরাধ > ধর্ষণের পর সেপটিক ট্যাংকে ‘শিশু’!

ধর্ষণের পর সেপটিক ট্যাংকে ‘শিশু’!

তৃতীয় শ্রেণির শিশু ধর্ষণ; সেপটিক ট্যাংকে মৃত্যুর অপেক্ষা
চট্টগ্রামের কাটিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়

প্রতিচ্ছবি চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

ষষ্ঠ শ্রেনির বড় ভাইকে খাবার দিতে এসেছিলেন তার স্কুলে। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশুটির জন্য সেটাই কিনা হয়ে উঠল চরম বিভিষিকার এক অভিজ্ঞতা। কোমলমতি এ শিশুটিকে সহ্য করতে হল নির্যাতন এরপর ধর্ষণ। সবশেষে সেপটিক ট্যাংকে বন্দি হয়ে কোনমতে ফেরা মৃত্যুর মুখ থেকে।

রবিবার বিকেলে উপজেলার কাটিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে এমনই এক লোকহর্ষক ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আটক করা হয়েছে স্কুলের দপ্তরি আপন দুলাল মালিকে।

নির্যাতিত ছাত্রীর আত্মীয়রা জানান এক বান্ধবীকে নিয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া বড় ভাইকে খাবার দিতে গেলে দপ্তরি আপন দুলাল ঐ ছাত্রীকে স্কুলের দোতালায় নিয়ে যায় এবং তার বান্ধবীকে চলে যেতে বলে।

পরে ঐ ছাত্রী ঘরে ফিরে না এলে তাকে স্কুলে খুঁজতে আসে পরিবারের সদস্যরা। খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে সেপটিক ট্যাংক থেকে গোঙানির শব্দ শুনতে পেয়ে ঢাকনা সরিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়।

পরে স্কুলের সেপটিক ট্যাংক থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

ছাত্রীর গলা ও মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তা এবং পরিবারের সদস্যরা।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক জানান প্রাথমিকভাবে ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে ধারণা করছেন তারা। তবে স্বাস্থ্যপরীক্ষার পর চিকিৎসকরা নিশ্চিত করবেন বলেও জানান তিনি।

জয় নয়ন / এমএম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

Leave a Reply

উপরে