আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > অপরাধ > দুদকের মামলায় কারাদণ্ড থেকে মুক্তি; হাফিজ ইব্রাহিমের জরিমানা ৫০ লাখ

দুদকের মামলায় কারাদণ্ড থেকে মুক্তি; হাফিজ ইব্রাহিমের জরিমানা ৫০ লাখ

হাফিজ ইব্রাহিম

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক:

দুদকের করা সম্পদের তথ্য গোপন মামলায় কারাদণ্ড থেকে রেহাই পেলেও ৫০ লাখ টাকা জরিমানা দিতে হবে বিএনপি নেতা হাফিজ ইব্রাহীমকে।

জরুরি অবস্থার সময় দুদকের দায়ের করা এ মামলায় নিম্ন আদালতের দেয়া ১৩ বছরের সাজার রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি করে বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর হাই কোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এই সিদ্ধান্ত দেয়।

অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগে ২০০৮ সালে জজ আদালত হাফিজ ইব্রাহীমকে দশ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল। আপিল মঞ্জুর করে হাই কোর্ট তাকে এ অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছে।

একই মামলায় আরেক ধারায় সম্পদের তথ্য গোপনের দায়ে নিম্ন আদালত এই বিএনপি নেতাকে দিয়েছিল তিন বছরের কারাদণ্ড।
হাই কোর্ট বলেছে, হাফিজ ইব্রাহীম ইতোমধ্যে দুই বছরের বেশি সময় এ মামলায় কারাগারে থাকায় তাকে বাকি সাজা খাটতে হবে না। তবে তাকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা দিতে হবে, তা না হলে আরও এক বছর জেলে কাটাতে হবে।

এর আগে গাই কোর্টের একটি বেঞ্চ হাফিজ ইব্রাহীমকে এ মামলায় খালাস দিলেও আপিল বিভাগ সেই রায় বাতিল করে আপিল পুনঃশুনানির নির্দেশ দিয়েছিল।

তারই ধারাবাহিকায় মঙ্গলবার বিচারপতি রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর বেঞ্চ থেকে এই রায় এল।

প্রসঙ্গত, ২০০১-২০০৬ মেয়াদে চার দলীয় জোট সরকারের সময় ভোলা-২ আসনের (বোরহান উদ্দিন-দৌলতখান) সংসদ সদস্য ছিলেন বিএনপি নেতা হাফিজ ইব্রাহীম। তার ভাই গিয়াসউদ্দিন আল মামুন বিএনপির জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে পরিচিত।

জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে হাফিজ ইব্রাহীম ও তার স্ত্রী মাফরুজা সুলতানার বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ৮ মে গুলশান থানায় মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম।
তাতে বলা হয়, আসামিরা তাদের ঘোষিত আয়ের বাইরে অবৈধভাবে ২০ কোটি ১৯ লাখ ৮৫ হাজার ৫৬৯ টাকার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। কমিশনে দাখিল করা সম্পদের হিসাব বিবরণীতে এসব সম্পত্তির তথ্য গোপন করেছেন তারা।

এম এম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে