আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > জাতীয় > ‘আসাদের আত্মত্যাগেই স্বাধীনতা আন্দোলন গতিশীল হয়’

‘আসাদের আত্মত্যাগেই স্বাধীনতা আন্দোলন গতিশীল হয়’

‘আসাদের আত্মত্যাগেই স্বাধীনতা আন্দোলন গতিশীল হয়’

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক:

শহীদ আসাদের আত্মত্যাগের ফলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন আরও গতিশীল হয়। আর এর ধারাবাহিকতায় পরে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পতন হয় স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের। শহীদ আসাদ দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক বাণীতে এ কথা বলেন।

শহীদ আসাদ দিবস আজ শনিবার। ১৯৬৯ সালের এই দিনে পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইয়ুব খান সরকারের বিরুদ্ধে এ দেশের ছাত্রসমাজের ১১-দফা কর্মসূচির মিছিলে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান আসাদ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানি শাসকদের বৈষম্যমূলক আচরণ এবং দমনপীড়নে বাংলার মানুষ যখন দিশেহারা, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ছয়-দফা তখন বাঙালির মুক্তির দিশারি হিসেবে আবির্ভূত হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, ছয়-দফার পক্ষে প্রবল জনমতের জোয়ার দেখে আতঙ্কিত সামরিক জান্তা আইয়ুব খান বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহীতার মামলা দায়ের করে। বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত ছয়-দফা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতির স্বাধীনতা আন্দোলন নতুন মাত্রা পায়। বঙ্গবন্ধু পরিণত হন নিপীড়িত ও নির্যাতিত বাঙালির মুক্তির মূর্ত প্রতীক হিসেবে।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শহীদ আসাদসহ আত্মোৎসর্গকারী সব শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের ছাত্র মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। তার শহীদ হওয়ার পর তিন দিনের শোক পালন শেষে ২৪ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের ছয়-দফা ও ছাত্রদের ১১-দফার ভিত্তিতে সর্বস্তরের মানুষ ঢাকাসহ সারাবাংলার রাজপথে নামে। এর ফলে গণঅভ্যুত্থানে পতন ঘটে আইয়ুব খানের।

আরেক স্বৈরশাসক ইয়াহিয়া খান ক্ষমতায় বসে সাধারণ নির্বাচনের ঘোষণা দেন। সত্তর সালের সেই নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। কিন্তু ইয়াহিয়া ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য নানা টালবাহানা শুরু করেন। ফলে এরই ধারাবাহিকতায় একাত্তর সালে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। মাত্র নয় মাস যুদ্ধের পর একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করে বাঙালি।

এ আর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে