আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > আন্তর্জাতিক > দূতাবাস স্থানান্তর বিতর্কে ট্রাম্প-নেতানিয়াহু

দূতাবাস স্থানান্তর বিতর্কে ট্রাম্প-নেতানিয়াহু

দূতাবাস স্থানান্তর বিতর্কে ট্রাম্প-নেতানিয়াহু

প্রতিচ্ছবি ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক:

এক বছরের মধ্যেই ইসরায়েলের তেল আবিবের মার্কিন দূতাবাস সরিয়ে জেরুজালেমে আনা হচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

বুধবার (১৭ জানুয়ারি) ভারত সফরে থাকা নেতানিয়াহু সাংবাদিকদের বলেন, ‘মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তর আপনাদের ধারণার চেয়েও দ্রুতগতিতে হবে। এখন থেকে বছরখানেকের মধ্যেই হবে।’

নতুন দূতাবাসের জন্য জায়গা খোঁজা, তার নিরাপত্তা বিধান করা এবং কূটনীতিকদের বাসস্থান নির্মাণে ন্যুনতম এ সময়সীমা প্রয়োজন বলে জানিয়েছিলেন তিনি।

এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর ইঙ্গিতের প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, ‘বছরখানেকের মধ্যে সরছে না ইসরায়েলের মার্কিন দূতাবাস।’

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, তেল আবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস সরানোর কার্যক্রম তিন বছরের আগে হবে না, এ সময়সীমাও বেশ উচ্চাভিলাষী হয়ে যায়।’

প্রসঙ্গত, জেরুজালেম বিষয়ে কয়েক দশকের পুরনো মার্কিন নীতি বদলে ফেলে ডিসেম্বরে শহরটিকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দেন ট্রাম্প। একইসঙ্গে তেল আবিব থেকে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস জেরুজালেমে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর আদেশও দেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করে। ইসরায়েল-ফিলিস্তিন শান্তি প্রক্রিয়াকে এরূপ পরিস্থিতিতে ফেলায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় যুক্তরাষ্ট্রের আরব ও ইউরোপীয় মিত্ররা।

মুসলিম, ইহুদি  ও খ্রিস্টানদের কাছে পবিত্র শহর হিসেবে পরিচিত জেরুজালেম নিয়ে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের দ্বন্দ্ব বেশ পুরনো।

১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর থেকে ইসরায়েলের দখলে থাকা পূর্ব জেরুজালেমকে তাদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে চায় ফিলিস্তিনিরা। অন্যদিকে তাদের রাজধানী হিসেবে পুরো জেরুজালেমকেই দাবি করে আসছে ইসরায়েল।

কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এ বিষয়ে অনুমোদন দেয় নি।

জে এস/এ আর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে