আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > খুলনা > উন্নয়ন মেলার উদ্বোধনে উন্নয়ন অব্যহত রাখার অঙ্গিকার

উন্নয়ন মেলার উদ্বোধনে উন্নয়ন অব্যহত রাখার অঙ্গিকার

উন্নয়ন মেলা ২০১৮

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক:

সারাদেশে একযোগে তিন দিনের উন্নয়ন মেলার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ (বৃহস্পতিবার) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ মেলার উদ্বোধনের পর দেশব্যাপী চলমান উন্নয়ন অব্যহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

এ সময় অনলাইনের মাধ্যমে দেশের সব জেলা ও উপজেলা এবং অনেক ইউনিয়ন তথ্যকেন্দ্র যুক্ত ছিল গণভবনের সঙ্গে। এর মধ্যে বরগুনা, ঝিনাইদহ, হবিগঞ্জ, গাইবান্ধা ও চাঁদপুর জেলার সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি, যার সুফল পাচ্ছে জনগণ। ২০২১ সালে বাংলাদেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেখতে চাই। এটি যেন অব্যাহত থাকে সেজন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড যেন সঠিকভাবে পরিচালনা করা হয় সেজন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

আগামী ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত ৬৪টি জেলা ও সব উপজেলায় প্রান্তিক পর্যায়ের জনগণের কাছে উন্নয়ন তৎপরতা ও সাফল্য প্রচারের লক্ষ্যে এর আয়োজন করেছে সরকার।

সকালে উদ্বোধনের পর তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ ঘর পাবে, চিকিৎসাসেবা পাবে, প্রতিটি মানুষ আলোকিত হবে। এগুলোই ছিল বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর কিভাবে দেশের মানুষের উন্নতি করা যায় আমাদের সেই ভাবনা ছিল সবসময়। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করছি। আমরা বিনামূল্যে বই দিচ্ছি, বৃত্তি প্রাইমারি থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত বই দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। প্রতিটি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় করে দিচ্ছি। শিক্ষার মানোন্নয়নে উপজেলা পর্যন্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছি।’

উন্নয়ন মেলার উদ্বোধনে উন্নয়ন অব্যহত রাখার অঙ্গিকার

সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচিগুলো যেন সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয় সেজন্য সবার সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তার কথায়, ‘আমরা যেসব উন্নয়ন কাজ করতে পেরেছি ও করার পদক্ষেপ নিয়েছি সেগুলোর ব্যাপারে জনগণকে সচেতন করতে হবে। সরকারের উন্নয়ন হচ্ছে জনগণের উন্নয়ন, তৃণমুল পর্যায়ের মানুষের উন্নয়ন। ডিজিটাল বাংলাদেশের মানুষ এখন সব ধরনের সেবা পাচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের জীবনমান উন্নত ও সহজ করাই আমাদের লক্ষ্য, আমরা তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।’

মেলায় দেশের সব মন্ত্রণালয়, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, আনসারসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর পৃথক পৃথক স্টল থাকবে। সব সরকারি, আধাসরকারি ও বেসরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে দর্শনার্থীদের সামনে নিজেদের উন্নয়ন কার্যক্রম তুলে ধরা হবে। একইসঙ্গে সরকারি সংস্থাগুলোর সেবাগুলোও দয়া হবে।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে দেশের মুক্তিযুদ্ধ ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন দিক। প্রতিদিন বিকালে দেশবরেণ্য শিল্পীদের পরিবেশনায় থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এছাড়াও রয়েছে আলোচনা সভা, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক কুইজ, বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতা।

এম এম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে