আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > খেলাধুলা > গুরুত্ব হারাচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, সাকিবদের শঙ্কা

গুরুত্ব হারাচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, সাকিবদের শঙ্কা

গুরুত্ব হারাচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, সাকিবদের শঙ্কা

প্রতিচ্ছবি স্পোর্টস ডেস্ক:

সিডনিতে মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) বার্ষিক সভায় (মঙ্গলবার এবং বুধবার) যোগ দিয়ে এমসিসি কমিটিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অশনিসংকেতের কথাই শুনিয়েছেন সাকিব আল হাসানসহ অনান্যরা। তার কথায় একমত হয়ে আইসিসিকে (আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল) এমসিসি সতর্ক করে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ক্রিকেটারদের বেতন বৈষম্য কমানো না গেলে ধীরে ধীরে আগ্রহ হারাবে ক্রিকেটাররা।

২০ ওভারের ক্রিকেট তরুণদের কাছে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলে, শুধু টেস্ট নয়; আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের গুরুত্ব অনেক দেশের খেলোয়াড়দের কাছে কমে যাবে বলে শঙ্কার সুর উঠেছে এমসিসির সভায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো দেশের ক্রিকেটাররা এর ভালো উদাহরণ। শুধু তাই নয় স্পট ফিক্সিংয়ের মতো দুর্নীতিও কমানো যাবে না বলে মনে করছে এমসিসি।

বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে এ সভায় নিমন্ত্রণ পেয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। এই কমিটিতে সাবেকদের মধ্যে ছিলেন রিকি পন্টিং, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, কুমার সাঙ্গাকারারা।

সাকিব সেখানে বলেছেন, বাংলাদেশের অসংখ্য তরুণ ক্রিকেটাররা টেস্ট ক্রিকেটকে আর তাদের লক্ষ্য হিসেবে দেখেন না। টেস্টের তুলনায় টি-টোয়েন্টি থেকে বেশি আয়ের সুযোগ থাকাই এর কারণ।

জাতীয় দল ছেড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের প্রতি ঝুঁকে পড়ার আগ্রহ বাড়ছে ক্রিকেটারদের মধ্যে। এমসিসি কমিটির সদস্য এবং অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক পন্টিং এ ব্যাপারে বলেন, ইংলিশ কিংবা অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারদের আপনি জাতীয় দল ছেড়ে আইপিএল খেলতে দেখবেন না। এর কারণ তারা (বোর্ড) খেলোয়াড়দের সন্তোষজনক পারিশ্রমিক দিয়ে থাকে। তাই বছরের বেশির ভাগ সময় ধরে টেস্টে সেরা খেলোয়াড় পেতে ইংল্যান্ড কিংবা অস্ট্রেলিয়ার কাছাকাছি চুক্তি নিশ্চিত করা উচিত। এতে তাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করার আগ্রহে ভাটা পড়বে না।

সাকিবের কথার সূত্র ধরে পন্টিংয়ের ভাষ্য, ‘সাকিব উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশের ক্রিকেটে অনেক দিন ধরে চলে আসা কিছু সমস্যা আর ঘটনার কথা বলেছে। সে এও বলেছে, টাকা (সারা বিশ্বে ক্রিকেট থেকে যে পরিমাণ আয় হয়, এর অংশ) কোথায় যায় সেটা আইসিসিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সে জানে বিশাল অঙ্কের টাকা হয়তো সঠিক জায়গাতেই যাচ্ছে, কিন্তু খেলোয়াড়দের কাছে যেভাবে যাওয়া উচিত, সেভাবে নয়।’

এই ধারা চলতে থাকলে বাংলাদেশের মতো টেস্ট ক্রিকেটে দীর্ঘ ঐতিহ্য বা অবকাঠামো নেই এমন দেশগুলোতে বড় দৈর্ঘ্যের ক্রিকেট আরও অগুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়বে। কেবল গৌরবের কথা বলে আর তরুণ ক্রিকেটারদের টেস্ট ক্রিকেটে টানা যাবে না। অন্তত এখনকার বাস্তবতায়।

সূত্র: লর্ডস

এম এম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে