আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > বিজ্ঞান প্রযুক্তি > রহস্যময় উজ্জ্বলতার নক্ষত্র

রহস্যময় উজ্জ্বলতার নক্ষত্র

রহস্যময় উজ্জ্বলতার নক্ষত্র

প্রতিচ্ছবি ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক:

রহস্যময় মহাবিশ্ব একের পর এক উন্মোচন করছে তার বিস্ময়কর বিভিন্ন অস্তিত্ব। সম্প্রতি তেমনই এক নক্ষত্রের পরিবর্তীত উজ্জলতার রহস্যময় আচরন জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের দারুণ আগ্রহী করে তুলেছে।

কেপলার মিশন প্রায় ১ হাজার আলোকবর্ষ দূর থেকেই নক্ষত্রটি সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেয়। তাদের তথ্যমতে কেআইসি ৮৪৬২৮৫২ নামক এই নক্ষত্রটি সূর্যের চেয়ে ৫০ শতাংশ বড় এবং ১ হাজার ডিগ্রী বেশী উত্তপ্ত।

অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল লেটারে গতকাল (বুধবার) এই নক্ষত্র সম্পর্কিত গবেষণার সর্বশেষ তথ্য প্রকাশিত হয়।

তথ্যমতে কোন যথার্থ কারণ ছাড়াই নক্ষত্রটির আলো আশ্চর্যজনকভাবে কমছে এবং বৃদ্ধি পাচ্ছে। তারা আরও জানায়, কিছু দিন বা সপ্তাহ আবার কখনও কখনও কয়েক শতাব্দীর জন্য আলো কমিয়ে ফেলে।

এটি একটি উজ্জ্বল হলুদ নক্ষত্র জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের কাছে যা ‘এফ স্টার’ নামে পরিচিত। পরিবর্তীত উজ্জলতা এই নক্ষত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

কেপলারের তথ্যানুযায়ী, নক্ষত্রটি ২২ শতাংশ পর্যন্ত উজ্জলতা ছড়াতে সক্ষম।

তাবেথ বোয়াজিয়ানের নামানুসারে নক্ষত্রটি ‘ত্যাবি’স স্টার’ নামে সর্বাধিক পরিচিত। তিনি লুসিয়ানা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ ও জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগের সহকারি অধ্যাপক। বোয়াজিনের এক সহকর্মী এটিকে ত্যাবি’স স্টার নাম দেন এবং সেই থেকেই নামটি প্রচলিত রয়েছে।

বোয়াজিয়ান ২০১৫ সাল থেকে নক্ষত্র বিষয়ক গবেষণায় নিযুক্ত রয়েছেন। এসময় তাদের “প্ল্যানেট হান্টার” নামক প্রোজেক্টে এই নক্ষত্রের ব্যতিক্রমী আচরণ ধরা পড়ে।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে নক্ষত্রের তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে এই কেপলার মিশন শুরু হয়। নক্ষত্রের রহস্য উদঘাটনে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের দেয়া তথ্য যথেষ্ট না হওয়ায় তারা এই মিশন চালু করেন। এই মিশনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি নক্ষত্রের আরও ভাল ছবিসংবলিত তথ্য সরবরাহ করবে বলে তারা আশাবাদী।

সূত্র: সিএনএন

জে এস / এম এম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে