আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > মতামত-চিন্তা > বাংলার সাত দশকের ইতিহাসের অংশ ছাত্রলীগ

বাংলার সাত দশকের ইতিহাসের অংশ ছাত্রলীগ

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর উপ-প্রচার সম্পাদক ওয়ারিদ আহমেদ তরিন

ওয়ারিদ আহমেদ তরিন:

বাংলাদেশ ও ছাত্রলীগ একইসূত্রে গাঁথা, যেন এক দেহে দুই প্রাণ। বাংলাদেশের সাত দশকের ইতিহাসের পৃষ্ঠায় ছাত্রলীগ বারবার রক্তের দায় দিয়ে বিপ্লব করে গেছে শাসন শোষণের বিপরীতে।

১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি তৎকালীন প্রজ্ঞা ও দূরদর্শীতা সম্পন্ন ছাত্র নেতা বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রতিষ্ঠা করেন এই ছাত্র সংগঠন। বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে ওই দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে শতাব্দীর সেরা ছাত্র সংগঠন।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ ও আন্দোলন বেগবান করতে ছাত্রজনতার স্রোতে মিশে ছিল ছাত্রলীগ। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের উল্লাসধ্বনির আড়ালে কারিগর ছিল ছাত্রলীগ। ৫৭’র শিক্ষক ধর্মঘট এবং ৬২’র শিক্ষা আন্দোলনে জয়ধ্বনি তুলেছিল ছাত্রলীগ। বাঙ্গালীর মুক্তির ৬ দফা হিসেবে পরিচিত ঐতিহাসিক ‘ছয় দফা’ আন্দোলনে ছিল ছাত্রলীগ।

লাল সবুজের পতাকা অর্জনের মহান মুক্তিযুদ্ধে এই ছাত্রলীগের ১৭০০০ হাজার নেতাকর্মীর আত্মত্যাগ। শিক্ষা শান্তি প্রগতির পতাকার ধারক ও বাহক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে গণতন্ত্র রক্ষায় সর্বদা জীবন্ত ঢাল হয়ে রাজপথে করে গেছে তেজোদ্দীপ্ত পদচারণা।

গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৭০ বছর। চির উত্তাল অনন্ত যৌবনা অনিঃশেষ ভালোবাসা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। শুভ জন্মদিন আবেগ, অনুভূতির জায়গা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের ঋণ কখনোই শোধ করতে পারব না। যা দিয়েছে ছাত্রলীগ বিনিময়ে কিছুই দিতেই পারিনি। কথা দিচ্ছি ছাত্রলীগের অস্তিত্ব রক্ষার্থে নিজের যা আছে সবটাই ঢেলে দেব, উজাড় করে দেব নিজেকে। ছাত্রলীগের স্বার্থে যেকোন ত্যাগ স্বীকার করতে রাজী। শুভ জন্মদিন আমার দ্বিতীয় জন্মের আতুরাশ্রম।

লেখক: উপ-প্রচার সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ

আর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে