আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > জাতীয় > চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি, কাল পর্দা উঠছে বাণিজ্য মেলার

চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি, কাল পর্দা উঠছে বাণিজ্য মেলার

dhaka international trade fair 2018

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক:

প্রতিবছরের মতো এবারও বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০১৮ (ডিআইটিএফ)।  রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের পাশের মাঠে নতুন বছরের প্রথম দিন, অর্থাৎ ১ জানুয়ারি থেকে এ মেলা শুরু হবে। চলবে আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত।

আগামীকাল ১ জানুয়ারি সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে মাসব্যাপী এই মেলার উদ্বোধন করবেন।প্রতিবছরের মতো এবারও বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০১৮ (ডিআইটিএফ)।  রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু

মেলাকে ঘিরে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। বাইরের সাজসজ্জার পাশাপাশি ভেতরে চলছে স্টল সাজানোর কাজ। প্রস্তুতির নানান শব্দ এখন নির্মীয়মান বাণিজ্য মেলার প্রাঙ্গনজুড়ে। দম ফেলার সময় নেই মেলায় স্টল বরাদ্দ পাওয়া অনেকেরই। সবাই ব্যস্ত নিজেদের স্টল সাজাতে।

এবারে মেলাকে নতুন আঙ্গিকে সাজানোর পরিকল্পনা অনুযায়ী নকশায় ভিন্নতা এসেছে। সে অনুযায়ী সুন্দরবনের আদলে ইকো-পার্ক করা হবে। থাকছে ডিজিটাল লে-আউট প্ল্যান, ডিজিটাল টাচ স্কিন যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্টল ও প্যাভিলিয়নকে চিহ্নিত করা যাবে। এবারে মেলার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হচ্ছে প্রধান ফটক। পদ্মাসেতুর দেখা মিলবে বাণিজ্যমেলার প্রবেশ পথেই।

দেশের বাণিজ্য প্রসারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) যৌথ আয়োজনে মাসব্যাপী এ মেলায় প্রতিবছরই সমাগম ঘটে দেশি-বিদেশি ক্রেতা-বিক্রেতাদের। মেলা প্রাঙ্গণের ৩১ দশমিক ৫৩ একর জমিতে এই মিলনমেলা সফলভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।

মেলায় দেশি-বিদেশি দর্শনার্থী ও ব্যবসায়ীদের জন্য থাকছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্টাচার্য্য জানানা, স্টল নির্মাণসহ মেলার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুরো মেলা প্রাঙ্গণ সিসি ক্যামেরা নিয়ন্ত্রিত থাকবে। মেলা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের জন্য বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০১৮

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাইরের সাজসজ্জার পাশাপাশি ভেতরে চলছে প্যাভিলিয়ন ও স্টল সাজানোর কাজ। কোনো কোনো স্টলে মালামাল উঠানো শুরু হয়েছে। আবার কোনোটায় চলছে ক্রেতাদের নজর কাড়তে নানা রঙে সাজানো কাজ। বেশিরভাগ বড় স্টলগুলোর কাজ অনেকটাই এগিয়েছে আর অন্যরাও তড়িঘরি করছেন দ্রুত কাজ শেষ করতে।

পদ্মা সেতুর আদলে তৈরি প্রধান ফটকে এখন চলছে শেষ মুহূর্তের রঙের কাজ। বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়নের অবকাঠামে তৈরি হলেও চলছে ভেতরে সাজসজ্জার কাজ। ট্রাক ভরে ফুলের চারা আসছে মেলা প্রাঙ্গণে।

এবারের মেলায় ১৪ ক্যাটাগরিতে দেশ-বিদেশের ৫২০টি স্টল ও প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ পেয়েছে। এর মধ্যে থাকছে ৬৪টি প্রিমিয়াম প্যাভিলিয়ন, ৩৬টি মিনি প্রিমিয়াম প্যাভিলিয়ন, ১৭টি জেনারেল প্যাভিলিয়ন, ২৫টি মিনি জেনারেল প্যাভিলিয়ন, চারটি রিজার্ভ প্যাভিলিয়ন, ছয়টি মিনি রিজার্ভ প্যাভিলিয়ন, ২৭টি বিদেশি প্যাভিলিয়ন ও আটটি মিনি বিদেশি প্যাভিলিয়ন। এ ছাড়া ৬৭টি প্রিমিয়ার স্টল, ১৮টি বিদেশি স্টল, ২৬০টি সাধারণ স্টল ও ২৪টি ফুড স্টল।

এবারের মেলায় বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, চীন, মালয়েশিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি, নেপাল, হংকং, জাপান, আরব আমিরাত, মরিশাস, ঘানা, মরক্কো ও ভুটান অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারী দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শন করবে।

মেলাকে ভিন্ন আঙ্গিকে সাজাতে মেলায় ফিশ ও বার্ড অ্যাকুয়ারিয়াম প্রদর্শন করা হবে। শিশুদের জন্য থাকবে পার্ক, গেমিং জোন ও খেলার উপকরণ।

মাসব্যাপী এই মেলায় কোনো সাপ্তাহিক ছুটি নেই। সকাল ১০ থেকে রাত ১০ পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে। প্রবেশ ফি প্রতিজন ৩০ টাকা। ছোটদের জন্য ২০ টাকা।।

এসএম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে