আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > বিনোদন-সংস্কৃতি > চিরনিদ্রায় শায়িত শব্দসৈনিক খাদেমুল ইসলাম বসুনিয়া

চিরনিদ্রায় শায়িত শব্দসৈনিক খাদেমুল ইসলাম বসুনিয়া

শব্দসৈনিক খাদেমুল ইসলাম বসুনিয়া

প্রতিচ্ছবি বিনোদন ডেস্ক:

রংপুরের নূরপুকুর কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন শব্দসৈনিক খাদেমুল ইসলাম বসুনিয়া।বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায়, প্রথমে তাঁর মরদেহ রংপুর বেতারে নেয়া হয়। সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁর মরদেহ রাখা হয় রংপুর শহীদ মিনারে। সেখানে তাঁর মরদেহে শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগণ।

খাদেমুল ইসলাম বসুনিয়া জানাজা

পরে, বাদ জোহর গুপ্তপাড়া মসজিদে জানাজা শেষে নূরপুর কবরস্থানে দাফন করা হয় শব্দ সৈনিক খাদেমুল ইসলাম বসুনিয়াকে।

চাষাদের, মুটেদের, মজুরের, গরিবের নিঃস্বের ফকিরের, আমার এ দেশ সব মানুষের- স্বাধীনবাংলা বেতারের কালজয়ী এই গানের সুরকার প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাত ১০টা ৩০ মিনিটে ইন্তেকাল করেন। এক সপ্তাহ আগে তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানেই হঠাৎ মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ হলে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় তাঁকে।

খাদেমুল ইসলাম বসুনিয়া

১৯৬৭ সালে ২৫ ডিসেম্বর রংপুর বেতার কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়। ওইদিন খাদেমুল ইসলাম বসুনিয়া প্রথম সংগীত পরিচালক হিসেবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংগীত পরিচালনা করেন। দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় তিনি অসংখ্য জনপ্রিয় গানের সুর করেছেন।

সৃষ্টি  করেছেন অনেক শুদ্ধ সংগীত শিল্পী। তিনি বেতারের প্রিন্সিপ্যাল সংগীত প্রযোজক হিসেবে ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে মুখ্য সংগীত প্রযোজক হিসেবে ঢাকা বেতারে ১৯৯৩ সাল থেকে ৯৮ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সব ধরনের সুর সৃষ্টি করে দেশের সংগীত ভাণ্ডারকে করেছেন সমৃদ্ধ।

খাদেমুল ইসলাম বসুনিয়া কবি শামসুর রাহমানের কবিতা ‘দাউ দাউ পুড়ে যাচ্ছে’ কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাাহর ‘কুমড়ো ফুলে ফুলে’ কবি মাহফুজুল্লাহর ‘শহীদদের স্মৃতি জলে’ ও ‘বাংলাদেশের যত নদী’সহ অসংখ্য কবিতায় সুর দিয়েছেন।

এসএম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে