আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > জাতীয় > বাংলাদেশ-মিয়ানমার পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক শুরু

বাংলাদেশ-মিয়ানমার পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক শুরু

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় ১৯ নভেম্বর, ২০১৭ সকাল সাড়ে ৮ টায় বাংলাদেশ-মিয়ানমার পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক শুরু হয়েছে। এই বৈঠক থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের লক্ষে প্রস্তাবিত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের কাঠামো এবং কর্মক্ষমতাবিষয়ক টার্মস অব রেফারেন্স (টিওআর) চূড়ান্ত হবে। বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক। মিয়ানমারের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির স্থায়ী সচিব মিন্ট থোয়ে।

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক:

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮ টায় বাংলাদেশ-মিয়ানমার পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক শুরু হয়েছে। এই বৈঠক থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের লক্ষে প্রস্তাবিত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের কাঠামো এবং কর্মক্ষমতাবিষয়ক টার্মস অব রেফারেন্স (টিওআর) চূড়ান্ত হবে। বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক। মিয়ানমারের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির স্থায়ী সচিব মিন্ট থোয়ে। এর আগে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় মিয়ানমারের পররাষ্ট্র সচিব মিন্ট থোয়ের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল ঢাকায় পৌঁছান।

পররাষ্ট্র সূত্র জানিয়েছে তাদের এই সফরেই গঠন হবে দুই দেশের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ।

বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন সম্পর্কিত মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি সই হয় গত ২৩শে নভেম্বর মিয়ানমারের রাজধানী নেপোদিতে। সেই চুক্তিতে বলা হয়, তিন সপ্তাহের মধ্যে যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি গঠন এবং দুই মাসের মধ্যে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়া শুরু করবে মিয়ানমার। তবে তারা কত দিনের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ করবে তা বলা হয়নি চুক্তিতে। শুধু বলা হয়েছে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফেরত নেওয়া হবে।

তিন সপ্তাহের মধ্যে যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করার কথা হলেও তা হয়নি। কমিটির তালিকা হস্তান্তর হয়েছে মাত্র। তাদের টার্মস অব রেফারেন্স চূড়ান্ত হয়নি।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক এবং মিয়ানমারের পররাষ্ট্র সচিব বৈঠকে বসে কমিটি এবং টার্মস অব রেফারেন্স চূড়ান্ত করবেন।

ওয়ার্কিং গ্রুপে দুই দেশ থেকেই সচিব পদমর্যাদার একজন করে কর্মকর্তা নেতৃত্ব থাকবেন। এছাড়া এই কমিটি কোথায় যাবে, কোন সীমান্ত দিয়ে যাবে, কতদিনে তাদের কাজ শেষ হবে এসব বিষয় বৈঠকে চূড়ান্ত হবে। বাংলাদেশ নির্ধারিত দুই মাসের মধ্যেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে বদ্ধপরিকর।

এসএম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে