আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > জাতীয় > দুর্বল বুশিং ক্র্যাক ও তেলের আর্দ্রতার জন্যই ফেঞ্চুগঞ্জ সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ড

দুর্বল বুশিং ক্র্যাক ও তেলের আর্দ্রতার জন্যই ফেঞ্চুগঞ্জ সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ড

মানহীন যন্ত্রাংশ ও দুর্বল বুশিং ক্র্যাকের জন্যই ফেঞ্চুগঞ্জ সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ড

প্রতিচ্ছবি সিলেট প্রতিনিধি

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে গ্রিড সাবস্টেশনে ট্রান্সফর্মারে অগ্নিকাণ্ডের কারণ হিসেবে ট্রান্সফর্মারের মানহীন যন্ত্রাংশ ও দুর্বল বুশিং ক্র্যাককে চিহ্নিত করেছে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি।

মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় গ্রিডের প্রধান প্রকৌশলী (সঞ্চালন-১) এমদাদুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের তদন্ত দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ তথ্য জানায়।

তদন্ত কমিটির সদস্যরা অগ্নিকাণ্ডস্থল পরিদর্শনকালে দু’টি কারণ শনাক্ত করতে সক্ষম হন। এরমধ্যে একটি হলো- ট্রান্সফর্মারে মানসম্মত যন্ত্রাংশ না লাগানো। অর্থাৎ এইচডি বুশ দুর্বল থাকায় বুশিং ক্র্যাক থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটার বিষয় সম্পর্কে অনেকটা নিশ্চিত হন কমিটির সদস্যরা। আরেকটি হলো ট্রান্সফর্মারের অভ্যন্তরের তেলে পানির অস্তিত্ব তথা আর্দ্রতা ছিল শতকরা ৩৫ শতাংশ। ফলে ট্রান্সফর্মারে কারিগরি (ম্যাকানিজম) ত্রুটিও পরিলক্ষিত হয় তদন্ত কমিটির কাছে।

তদন্ত কমিটির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে অগ্নিসংযোগ নিয়ে অনেকটা হতাশা ব্যক্ত করেন এবং কারিগরি ত্রুটির জন্য স্থানীয় প্রকৌশলীদের দায়ী করেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র।

এদিকে সিলেট ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, ট্রান্সফর্মারের ভেতরে দাহ্য পদার্থ থাকায় এখনও নিভু নিভু আগুন জ্বলছে। তবে পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

গত সোমবার (১১ ডিসেম্বর) বেলা ১০টায় ফেঞ্চুগঞ্জ পালবাড়িতে বিদ্যুতের গ্রিড লাইনে ৩০০ এমপিএ (১৩২/২৩০) ট্রান্সফর্মারে আগুন লাগে। নিমিষেই আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়লে জাতীয় গ্রিড লাইন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও কুমিল্লার কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়ে।

পরে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিটের সমন্বিত চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু গ্রিড সেকশনের কর্মকর্তারা সেসময় দাবি করেন, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

এ আর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে