আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > রাজনীতি > ‘মানহানিকর তথ্যের জন্য ক্ষমা চান নয়তো আইনানুগ ব্যবস্থা’

‘মানহানিকর তথ্যের জন্য ক্ষমা চান নয়তো আইনানুগ ব্যবস্থা’

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
‘মানহানিকর তথ্যের জন্য ক্ষমা চান নয়তো আইনানুগ ব্যবস্থা’

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক:

সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করতে বিদেশে খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের নামে যে সম্পত্তির সংবাদ প্রচার করছে তাকে মিথ্যা ও ভিত্তিহিন বলে দাবি করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুধু তাই নয় এসব প্রমানের আহ্বানের পাশাপাশি মানহানিকর এমন তথ্যের জন্য হয় ক্ষমা, নয়তো আইনানুগ ব্যবস্থার হুমকিও দিয়ে রেখেছেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় সোমবার ঢাকায় এক কর্মসূচিতে এ কথা বলেন তিনি।

ফখরুল বলেন, ‘আমরা সারা পৃথিবীতে খোঁজ নিয়ে দেখেছি, এ ধরনের কোনো কিছুর কোনো ভিত্তি নেই। এমনকি যে প্রোপার্টির কথা বলা হয়েছে, সেই প্রোপার্টিগুলোরও কোনো অস্তিত্ব নেই।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্যের জবাবে বিএনপি মহাসচিব আরো বলেন, ‘আমরা তো পরিষ্কারভাবে বলেছি, তারা (সরকার) প্রমাণ করুক।’

কম্বোডিয়া সফর নিয়ে গত বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সৌদি আরবে বিএনপি নেত্রীর সম্পদের খবর নিয়ে কথা বলেন।

এর প্রতিক্রিয়ায় শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশে করে বলেন, ‘ওই মানহানিকর তথ্য প্রচারের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আমরা বাধ্য হব।’

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে সোমবার সকালে হাই কোর্ট মাজার প্রাঙ্গণে বিএনপির মহানগর দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে গরীব ও দুঃস্থদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেন মির্জা ফখরুল।

 এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, সহসভাপতি শামসুল হুদা, মোহাম্মদ মোহন।

সম্প্রতি দেশের কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে বিদেশি একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে একটি খবর প্রকাশিত হয়। সেখানে বলা হয়, বাংলাদেশে দুর্নীতি মামলায় বিচারের মুখে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের বিপুল পরিমাণ সম্পদ রয়েছে সৌদি আরবে। সেখানে এসব সম্পদ নিয়ে তদন্তও চলছে।

রোববার স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক সমাবেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, “সৌদি আরবে খালেদা জিয়া ও তার পুত্র তারেক রহমানের দুর্নীতির খবর বেরিয়ে গেছে, আর সেটা নিয়ে তাদের গাত্রদাহ শুরু হয়ে গেছে। কী করে এই দায় এড়াবে? এই দলের দুর্নীতির ইতিহাস সবাই জানে। দুর্নীতির দুর্গন্ধ আবারও ছড়িয়ে পড়েছে। যতই ময়লা নিয়ে ঘাঁটাঘাটি করবেন ততই দুর্গন্ধ বাড়বে। ফান্দে পড়ে বগা কান্দে।”

এম এম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে