আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > জাতীয় > ‘ছোটলোকিপনা যারা করে তাদের সঙ্গে কিসের আলোচনা’

‘ছোটলোকিপনা যারা করে তাদের সঙ্গে কিসের আলোচনা’

hasina3

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক:

আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বিএনপির সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ছোটলোকিপনা যারা করে তাদের সঙ্গে কিসের আলোচনা? বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট ছেলে যখন মারা যায়, তখন আমি গিয়েছিলাম সান্ত্বনা দিতে। কিন্তু, আমাকে ভেতরে ঢুকতেই দেয়া হয়নি।’

কম্বোডিয়া সফর শেষে দেশে ফিরে বৃহস্পতিবার গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় তিনি আরো বলেন, ‘আমার গাড়ি খালেদা জিয়ার বাড়ির ভেতরে ঢুকতে দেয়া হয়নি। তাই আমি গাড়ি থেকে নেমে পায়ে হেটে ভেতরে ঢুকতে গিয়েছিলাম। কিন্তু, আমাকে দেখে বাড়ির গেট বন্ধ করে দেয়া হয়। আমাকে বাইরে দাড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। বাড়ির ভেতরে বিএনপি’র নেতাকর্মীরা ছিলেন, কেউ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’

ক্ষোভ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যারা এমন ছোটলোকিপনা করে তাদের সঙ্গে কিসের আলোচনা করব?’

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনের প্রধান সড়কটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে করা হয়েছে। দেশটিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরে এই নামকরণ করা হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বাংলাদেশের গুলশানের একটি পার্ক রোডের নামও কম্বোডিয়ার প্রয়াত রাজা নরোদম সিহানুকের নামে করা হয়েছে।’

আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন ও প্রার্থী দেয়া না দেয়ার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অনেকে প্রার্থী হতে চান, ভালো কথা। এটা তাদের রাজনৈতিক অধিকার। কেন সবাই প্রার্থী হতে পারবেন না? শত ফুল ফুটবে। শত ফুলের মধ্যে যেটা ভালো সব থেকে সুন্দর ফুল সেটা আমরা বেছে নেবো। কীভাবে নেবো সেটা সময়ই বলে দেবে।’

আগাম নির্বাচনের ব্যাপারে সরকারের অবস্থান সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পার্লামেন্টারি সিস্টেমে যে কোনো সময় নির্বাচন দেয়া যায়। তবে এমন কোনো দৈন্যদশায় পড়িনি, বা সমস্যায় পড়িনি যে, এখনই নির্বাচন দিতে হবে। তবে আমাদের উন্নয়নের ধারা আমরা অব্যাহত রেখেছি। উন্নয়নের কাজগুলো আমরা দ্রুত এগিয়ে নিতে চাই।’

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত যেগুলো আমরা করেছিলাম, যেগুলো বাকি ছিল সেগুলো আর সচল থাকেনি। বিএনপি সরকার উন্নয়নের সে ধারা অব্যাহত রাখেনি। ২০০৯ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে আমরা যে উন্নয়ন করেছি তা চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি অন্য কোনো সরকার করতে পারে নাই।’

উল্লেখ্য, গত ৩ ডিসেম্বর কম্বোডিয়া সফরে যান শেখ হাসিনা। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে ১০টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সফর শেষে গত ৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী। এর দুই দিনের মাথায় সফরের বিষয়ে জানাতে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি।

এই সফর দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সহায়ক হবে বলে আশার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

বিদেশ সফর শেষে বরাবর সংবাদ সম্মেলন করেন প্রধানমন্ত্রী। তবে মাঝে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে অংশগ্রহণ শেষে সংবাদ সম্মেলন করেননি শেখ হাসিনা। লিখিত বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

সংবাদ সম্মেলনের ভিডিও

আর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে