আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > রাজনীতি > সাঈদ-মুরাদ দ্বন্দ্বের অবসানে আওয়ামী লীগের উদ্যোগ

সাঈদ-মুরাদ দ্বন্দ্বের অবসানে আওয়ামী লীগের উদ্যোগ

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ (ডানে) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশেনর মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন (বামে)

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক:

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশেনর মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকনের দ্বন্দ্ব অবসান করতে প্রাথমিক উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ।

রোববার সন্ধ্যায় আওয়ামী সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশে দলের সাংগঠনিক আলোচনায় হাজির করা হয় শাহে আলম মুরাদ ও সাঈদ খোকনকে।

জানা গেছে, ওবায়দুল কাদের মুরাদ ও সাঈদ খোকনকে নিজের স্বার্থ ত্যাগ করে দলের স্বার্থে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান। এ সময় উভয় পক্ষ থেকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দিতে চাইলে ওবায়দুল কাদের থামিয়ে দেন এবং পরোক্ষ বক্তব্যে সতর্ক করে দেন। নিজ উদ্যোগে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে মেয়র হানিফের স্মরণানুষ্ঠন সফল করার তাগিদ দেন।

গত ১৬ নভেম্বর সকাল সাড়ে ১০ টায় আজিমপুর পার্ল হারবার কমিউনিটি সেন্টারে নাগরিক সমাবেশকে সফল করার লক্ষে ও নতুন সদস্য সংগ্রহের জন্য ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ একটি বর্ধিত সভা আয়োজন করে। সভায় বাধা দিতে সামনের রাস্তায় সিটি করপোরেশনের ময়লা ফেলে সভা ভণ্ডল করার চেষ্টা করে। পরে দক্ষিণের নেতাকর্মীরা ময়লার স্তুপ কিছুটা সরিয়ে ওই কমিউনিটি সেন্টারে প্রবেশ করে সভা চালাতে থাকে।

মুরাদের দাবি ছিল, এটি সাঈদ খোকন গ্রুপের কাজ।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও পরিস্থিতি দেখে তিনি চলে যান। বিশেষ অতিথি হিসেবে খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এরপর দুপুরে রাজধানীর আজিমপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শাহে আলম মুরাদের কর্মীদের সঙ্গে সাঈদ খোকনের কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় অনেক মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। পুলিশ উভয়পক্ষের আটজনকে আটক করে।

এর আগে গত মাসে মগবাজার ফ্লাইওভার উদ্বোধনের দিন মুরাদের লোকজন সাঈদ খোকনের লোকদের মঞ্চে উঠতে দেয়নি। এ নিয়েও হাতাহাতি হয়েছে।

এরপর জেল হত্যাদিবস উদযাপনের প্রস্তুতি সভায় খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপের উপস্থিতিতে শাহে আলমের ওপর চড়াও হয় সাঈদ খোকনের লোকজন। এ সময় সাঈদ খোকনকে পুলিশি নিরাপত্তায় ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

আর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে