আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > অপরাধ > শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে মারপিটে, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আহত

শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে মারপিটে, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আহত

শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে মারপিটে, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আহত

প্রতিচ্ছবি বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়া শাজাহানপুরের গোহাইল ইসলামীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে কলেজের শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে বহিরাগতদের মারপিটে গুরুতর আহত হয়েছে কলেজ গভর্ণিং বডির সদস্য ও গোহাইল ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক মশিউর রহমান মিন্টু (৩৮)।

সোমবার দুপুর ১টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসে এই মারপিটের ঘটনা ঘটে। এসময় একই স্থানে গোহাইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষা চলছিল। একদল বহিরাগতদের লাঠিসোটা নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রের ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মারপিটের ঘটনায় পরীক্ষার্থীদের মাঝে আতংক দেখা দেয়।

খবর পেয়ে থানার এসআই লাল মিয়া ঘটনাস্থলে পৌছানোর পূর্বেই উভয় পক্ষের লোকজন ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

গোহাইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুর রশিদ জানান, গোহাইল ইসলামীয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন যাবত দ্বন্দ চলছিল। সোমবার দুপুরে এনিয়ে কলেজ অধ্যক্ষের কক্ষে গভর্ণিং বডির সদস্য ও নিয়োগের পক্ষে ও বিপক্ষের লোকজন নিয়ে মিটিং চলছিল।

এমতাবস্থায় মটরসাইকেল যোগে একদল বহিরাগতরা এসে অধ্যক্ষ কক্ষের সামনে কলেজ গভর্ণিং বডির সদস্য মশিউর রহমান মিন্টুর সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়লে মিটিংয়ের লোকজন বহিরাগতদেরকে কলেজ গেটের বাহিরে বের করে দেয়।

একপর্যায়ে মিন্টু কলেজ গেটের বাহিরে বের হলে বহিরাগতরা মিন্টুকে লাঠিসোটা দিয়ে মারপিট করে। মারপিটে মিন্টুর মাথা ফেটে রক্তাক্ত হয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, গোহাইল ইসলামীয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের স্কুল শাখায় সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে চাকরি দেয়ার কথা বলে কয়েক বছর পূর্বে নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার আমজাদ হোসেন নামের এক ব্যক্তির নিকট থেকে ৩ লাখ টাকা নেন তৎকালীন সভাপতি।

এরই মধ্যে তৎকালীন সভাপতি মারা গেলে নতুন কমিটি হয়। নতুন কমিটির সভাপতি ও অধ্যক্ষ যোগসাজসে চাকরি না দিয়ে তালবাহান শুরু করে।

চাকরি প্রত্যাশী আমজাদ হোসেন জানান, তৎকালীন সভাপতির সাথে ৩ লক্ষ টাকার চুক্তি হয়েছে। ৩ লাখ টাকাই দিয়েছি। পরে ঝামেলা হওয়ায় আরো ৪০ হাজার টাকা দিয়েছি। কিন্তু বর্তমান কমিটির সভাপতি তা মেনে না নিয়ে অন্যজনকে নিয়োগ দিতে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম করে তাকে ৩য় স্থানে রেখেছে। এমতাবস্থায় নিয়োগ ও টাকা ফেরত না দিয়ে তালবাহানা শুরু করেছে।

এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ ও গভর্ণিং বডির সভাপতির সাথে যোগাযোগ করা যায়নি।

শাহজাহানপুর থানার এসআই লাল মিয়া জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। এখন পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগও করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আমজাদ হোসেন মিন্টু/ /এ আর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:

অনুরূপ সংবাদ

উপরে