আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > অপরাধ > সালমানকে ‘সামিরা সমস্যা‘ সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন কুমকুম

সালমানকে ‘সামিরা সমস্যা‘ সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন কুমকুম

প্রতিচ্ছবি ডেস্কঃ  

মৃত্যুর আগের দিন রাত ১২টা। ল্যান্ড লাইনে তখনই সালমান শাহের সঙ্গে শেষ বারেরমতো কথা হয়েছিল তার মামা আলমগীর কুমকুমের। ভাগ্নে তখন তাকে জানিয়েছিল স্ত্রী সামিরাকে নিয়ে পারিবারিক সমস্যার কথা। প্রত্যুত্তরে তিনি ঢাকায় এসে আলাপ-আলোচনায় সমস্যার সমাধান করে দেয়ার আশ্বাসও দিয়েছিলেন সালমানকে।

সালমান শাহ ও তার স্ত্রী সামিরা

রবিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরনবীর আদালতকে দেয়া আলমগীর কুমকুমের জবানবন্দিতে সেদিনের ফোন নিয়ে তিনি বলেন, ‘তোমার (আলমগীর কুমকুম) আর ঢাকায় আসতে হবে না। তুমি সিলেটেই থাক। সামিরার প্রসঙ্গে বলছিলেন অনেক বুঝিয়েছি, সামিরার (সালমানের স্ত্রী) সঙ্গে আর সংসার করা সম্ভব হবে না’। তখন তিনি ঢাকায় এসে আলাপ-আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করে দেয়ার আশ্বাসও দিয়েছিলেন সালমানকে।

সালমান শাহ মৃত্যুর মামলায় সাক্ষী হিসেবে ১৬৪ ধারায় আলমগীর কুমকুম জবানবন্দি দেন। সেখানে এমনটাই দাবি করেছেন আলমগীর কুমকুম।

বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছেন পিবিআইর ইন্সপেক্টর সিরাজুল ইসলাম। সোমবার এ মামলার পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার দিন ধার্য করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী ফারুক আহম্মদ।

আদালত সূত্র জানায়, জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা অবস্থায় ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটন রোডে নিজ বাসা থেকে শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন ওরফে সালমান শাহর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেন তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী।

এরপর হত্যার অভিযোগ ওঠে। পরে ঐ তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত। সিআইডি ও বিচার বিভাগীয় তদন্তে সালমানের মৃত্যু আত্মহত্যা বলে উঠে আসে।

২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাহাঙ্গীর হোসেনের আদালতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর নারাজি আবেদন করা হয়। এতে আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ ১১ জনকে সালমান শাহর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে দাবি করা হয়।

এ এম / এম এম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে