আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > আন্তর্জাতিক > স্বামীকে বন্দিদশায় ফেলেই পালিয়েছেন মুগাবের স্ত্রী

স্বামীকে বন্দিদশায় ফেলেই পালিয়েছেন মুগাবের স্ত্রী

রবার্ট মুগাবে ও গ্রেস মুগাবে

প্রতিচ্ছবি ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক:

সেনাবাহিনীর ‘ক্ষমতা’ দখলের মুখে জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবেকে ‘গৃহবন্দি দশায়’ রেখে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন তার স্ত্রী গ্রেস মুগাবে। নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে আফ্রিকান নিউজ এজেন্সি এ খবর প্রকাশ করেছে।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্টের খবরে বলা হয়েছে, গ্রেস মুগাবে পালিয়ে নামিবিয়া গেছেন। তবে, দেশটির একটি সংবাদপত্রের মালিক টুইটে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের স্ত্রী এখন রাজধানী হারারেতেই আছেন।

১৯৮০ সালের পর থেকে ৩৭ বছর ধরে ক্ষমতাসীন রবার্ট মুগাবে। জিম্বাবুয়েতে রাজনৈতিক সংকট ঘনীভূত হওয়ার পর অভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে রাজধানী হারারের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। কিন্তু সেনা অভ্যুত্থানের অভিযোগ অস্বীকার করে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে দেশটির এক সামরিক কর্মকর্তা বলেছেন, সেনা অভ্যুত্থান নয়, প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবের চারপাশে যেসব দুর্নীতিবাজ রয়েছে তাদের নির্মূলে আমরা অভিযান পরিচালনা করছি।

বিবিসি জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট মুগাবে গত সপ্তাহে তাঁর ভাইস প্রেসিডেন্ট এমারসন নানগাগওয়াকে বরখাস্ত করেন। এরপর থেকে শুরু হয় রাজনৈতিক সংকট। এত দিন নানগাগওয়াকে মুগাবের উত্তরসূরি ভাবা হচ্ছিল। কিন্তু মুগাবে সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী গ্রেস মুগাবেকে নিজের স্থলাভিষিক্ত করার পরিকল্পনা করেন। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বরখাস্ত করা হয় ভাইস প্রেসিডেন্টকে।

৯৩ বছর বয়সী মুগাবের দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেস মুগাবে। টাইপিস্ট থেকে জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্টের স্ত্রী হন তিনি। মুগাবের চেয়ে ৪০ বছরের ছোট গ্রেস ধীরে ধীরে ক্ষমতার প্রায় কেন্দ্রে চলে আসেন। ধারণা করা হচ্ছিল, মুগাবের অনুপস্থিতিতে কিংবা মারা গেলে দেশটির প্রেসিডেন্ট হওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে ছিলেন গ্রেস মুগাবে।

তবে এখন মুগাবের স্থলাভিষিক্ত কে হবে, তা নিয়ে বিভক্তি দেখা দিয়েছে। বর্তমানে দেশটির অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সম্প্রতি বহিষ্কৃত ভাইস প্রেসিডেন্ট এমারসন নানগাগওয়াকে।

এন টি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে