আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > অর্থ-বাণিজ্য > মাঠে সবুজ সবজি, বাড়ছে বাজারদর, চওড়া কৃষকের হাসি

মাঠে সবুজ সবজি, বাড়ছে বাজারদর, চওড়া কৃষকের হাসি

প্রতিচ্ছবি যশোর প্রতিনিধি:

মাঠের পর মাঠ বাঁধাকপি। পাশেই ফুল কপির ক্ষেত। শিমের ডগা গুলো যেন কথা বলছে কৃষকের সঙ্গে। বেগুন ক্ষেত জুড়ে সকালের সোনা রোদ যেন হাসির রেশ ছড়িয়ে দিয়েছে। মাঁচায় দুলছে কঁচি লাউয়ের ডগা। এভাবেই শীত মৌসুমে মাঠে আভা ছড়াচ্ছে মূলা, বরবটি, ছিম, উচ্ছে, টমেটোসহ বিভিন্ন জাতের সবজি।

সবুজের এই মনোরম দৃশ্য এখন চোখে পড়বে যশোর-মাগুরা মহাসড়কের দুই ধার দিয়ে নোঙ্গরপুর, কোদালিয়া, লেবুতলা, পুলেরহাট ও গাইদঘাটসহ খাজুরা এলাকার মাঠ গুলোতে। অন্যবারও মাঠ এভাবেই হাসে কিন্তু বাজার মূল্যে কৃষকের মুখে ফোটে না হাসি। এবার অনেকটাই ব্যতিক্রম।

বাঁধাকপি ক্ষেত

গেল বর্ষায় অধিকাংশ কৃষকের শীতের সবজি অতি বৃষ্টির কারণে মারা যায়। অপেক্ষাকৃত উঁচু জমির সবজি রক্ষা পেলেও বর্ষার পানিতে নিচু জমির সবজি আংশিক বা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে অনেকেই বর্ষা শেষ হওয়ার সাথে সাথে পুরনায় সবজি বীজ ও চারা রোপন করে বাড়তি পরিচর্যা শুরু করে।

এছাড়া বর্ষায় যে সমস্ত ক্ষেতের সবজি রক্ষা পেয়েছিল তারা অল্প অল্প করে সবজি বাজারজাত শুরু করেছে। বর্তমানে ওই এলাকার বৃহত্তম মোকাম খাজুরা হাটে ৫ নবেম্বর রবিবার পাইকারী সবজির বাজারদর যথাক্রমে প্রতি মণ ফুলকপি ১ হাজার ৬শ’ ৫০ টাকা, মুলা ১ হাজার ৫০০ টাকা, বেগুন ১ হাজার ৮০০ টাকা, বরবটি ১ হাজার ৬০০ টাকা, সীম ১ হাজার ৬০০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৪ হাজার ২০০ টাকা, টমেটো প্রতি কেজি ৮০ টাকা ও ১০০ পিছ বাঁধাকপি ২ হাজার ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হয়।

বর্ষায় যে সব কৃষকের সবজি নষ্ট হয়েছিল তারাও বর্ষার পর পুনরায় সবজি চাষ করে ভাল দাম পাবে বলে আশা করছেন। আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে তাদের সবজি বাজারজাত করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, দেশের সবজি চাহিদার শতকরা ৮০ ভাগই পূরন হয় বৃহত্তর যশোর এলাকা থেকে। দেশের অন্যতম সবজি মাঠ নোঙ্গরপুরের কৃষক রুস্তম আলী এবছর ৪ বিঘা জমিতে বাঁধাকপি আবাদ করেছেন। বর্ষায় তার ক্ষতি কিছুটা কম। গড় পড়তা ৪ বিঘা জমিতে তার এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে ২ লক্ষাধিক টাকা। বর্তমান বাজারদর বা তার কাছাকাছি থাকলেও ৪ বিঘা জমি থেকে উৎপাদিত বাঁধাকপি ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা বিক্রি হবে বলে তিনি জানান।

সাজেদ রহমান / এম এম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে