আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > জাতীয় > চলাচলের সুবিধার্থেই নকশায় পরিবর্তন: প্রধানমন্ত্রী

চলাচলের সুবিধার্থেই নকশায় পরিবর্তন: প্রধানমন্ত্রী

মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক: অবশেষে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হলো মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ ফ্লাইওভারের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখার পর ফ্লাইওভারের উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন। ফ্লাইওভারের উদ্বোধন করার ফলে মৌচাক, মালিবাগ, বাংলামোটর, রাজারবাগ, শান্তিনগর, মগবাজার এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘ দিনের ভোগান্তির অবসান হলো। চার লেনের উড়ালসড়কটি ছয়টি মোড় অতিক্রম করেছে। এগুলো হলো সাতরাস্তা, বিএফডিসি, মগবাজার, মৌচাক, শান্তিনগর ও মালিবাগ মোড়। এর মধ্যে মগবাজার, মালিবাগ ও কারওয়ান বাজারে রেললাইন অতিক্রম করেছে এই উড়ালসড়ক প্রকল্প। ওই উড়ালসড়কটি তিন ভাগে করা হয়েছে। একটি অংশ সাতরাস্তা-মগবাজার-হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল। এটা নির্মাণ করেছে নাভানা কনস্ট্রাকশন। গত বছরের মার্চ মাসে এ অংশ যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়। গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর নিউ ইস্কাটন থেকে মৌচাক পর্যন্ত উড়ালসড়কের এক দিক খুলে দেয়া হয়। এই অংশ নির্মাণ করেছে তমা কনস্ট্রাকশন। তৃতীয় ধাপে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) মোড় থেকে কারওয়ান বাজার অংশ যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয় গত ১৭ মে। এই অংশও তৈরি করেছে নাভানা কনস্ট্রাকশন। প্রথমে এই প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭৭২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। পরে নকশায় পরিবর্তন আনা হয়। শেষ পর্যন্ত ব্যয় বাড়তে বাড়তে ১ হাজার ২১৮ কোটি ৮৯ লাখ টাকায় গিয়ে ঠেকে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার অর্থায়ন করেছে ৪৪২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। ৭৭৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা দিয়েছে সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এসএম

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক:

অবশেষে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হলো মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ ফ্লাইওভারের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি নকশায় পরিবর্তন আনার কারণ হিসেবে চলাচলের সুবিধার কথা উল্লেখ করে জাতীয় এ সম্পদটি ব্যবহারে সবাইকে আন্তরিক হবার অনুরোধ করেন।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখার পর ফ্লাইওভারের উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

ফ্লাইওভারের উদ্বোধন করার ফলে মৌচাক, মালিবাগ, বাংলামোটর, রাজারবাগ, শান্তিনগর, মগবাজার এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘ দিনের ভোগান্তির অবসান হলো। প্রধানমন্ত্রী উড়ালসড়ক নির্মাণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

এ সময় ঢাকায় গাড়ির সংখ্যা বাড়ছে বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আধুনিক যুগে আর্থিক ক্ষমতা থাকলে মানুষ গাড়ি কিনছে। ফলে যানজট বাড়ছে। মগবাজার-মৌচাক উড়ালসড়কে গাড়ি চলবে দ্রুত। চলাচলের সুবিধার জন্য এই উড়ালসড়কের কিছু জায়গায় নকশা পরিবর্তন করা হয়েছে।’

এটা ব্যাবহারে যত্নবান হবার পরামর্শ দিয়ে তিনি যোগ করেন , ‘সকলের প্রতি অনুরোধ, ব্যবহারে যত্নবান হবেন। ট্রাফিক রুল মেনে চলবেন। জাতীয় সম্পদ মনে রেখে সেটা ব্যবহার করবেন।’

চার লেনের উড়ালসড়কটি ছয়টি মোড় অতিক্রম করেছে। এগুলো হলো সাতরাস্তা, বিএফডিসি, মগবাজার, মৌচাক, শান্তিনগর ও মালিবাগ মোড়। এর মধ্যে মগবাজার, মালিবাগ ও কারওয়ান বাজারে রেললাইন অতিক্রম করেছে এই উড়ালসড়ক প্রকল্প।

ওই উড়ালসড়কটি তিন ভাগে করা হয়েছে। একটি অংশ সাতরাস্তা-মগবাজার-হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল। এটা নির্মাণ করেছে নাভানা কনস্ট্রাকশন। গত বছরের মার্চ মাসে এ অংশ যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়।

গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর নিউ ইস্কাটন থেকে মৌচাক পর্যন্ত উড়ালসড়কের এক দিক খুলে দেয়া হয়। এই অংশ নির্মাণ করেছে তমা কনস্ট্রাকশন।

তৃতীয় ধাপে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) মোড় থেকে কারওয়ান বাজার অংশ যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয় গত ১৭ মে। এই অংশও তৈরি করেছে নাভানা কনস্ট্রাকশন।

প্রথমে এই প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭৭২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। পরে নকশায় পরিবর্তন আনা হয়। শেষ পর্যন্ত ব্যয় বাড়তে বাড়তে ১ হাজার ২১৮ কোটি ৮৯ লাখ টাকায় গিয়ে ঠেকে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার অর্থায়ন করেছে ৪৪২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। ৭৭৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা দিয়েছে সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট

এসএম / এম এম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে