আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > আন্তর্জাতিক > রোহিঙ্গা সংকটের মূলে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা: টিলারসন

রোহিঙ্গা সংকটের মূলে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা: টিলারসন

রেক্স টিলারসন

প্রতিচ্ছবি ইন্টান্যাশনাল ডেস্ক:

রোহিঙ্গা সংকটের কারণ হিসেবে শুধুমাত্র ঐ দেশটির সামরিক নেতৃত্বকে দায়ি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন। তবে এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র্বের ভূমিকা কি তা তিনি পরিষ্কার করেননি।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাখাইনের রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর বর্বর অভিযানের জন্য মিয়ানমারের জেনারেলরাই দায়ী।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারে সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে নোবেলজয়ী অং সান সু চির নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালুর ক্ষেত্রে সব সময়ই সমর্থন দিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র। পাশাপাশি কৌশলগত কারণে চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে ওয়াশিংটন সব সময় সু চির সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখে গেছে। কিন্তু রোহিঙ্গা সঙ্কটে সাড়া দিতে ব্যর্থ হওয়ায় পশ্চিমা মিত্রদের কাছেও এখন সমালোচিত হচ্ছেন সু চি।

গত ২৫ আগস্ট রাখাইনে সেনা অভিযান শুরুর পর পাঁচ লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছে। এমন বাস্তবতায় দেশটির সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে কিছু বলেননি টিলারসন।

‘ওই এলাকায় (রাখাইন) সংঘটিত নৃশংসতা নীরব দর্শকের মতো দেখতে পারে না বিশ্ব’, বলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এদিকে রোহিঙ্গা সংকট শুরু হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে মিয়ানমারের সেনা কর্মকর্তা ও নৃশংসতায় জড়িতদের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের ওপর আবার নিষেধাজ্ঞা জারির আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেসের ৪৩ জন আইনপ্রণেতা।

এছাড়া  ভারতের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক গড়ে তুলতে চান বলে জানান টিলারসন। একইসঙ্গে তাদের প্রতিপক্ষ চীনের সমালোচনাও করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে তাদের সহযোগী মনে করে। পারস্পরিক সহযোগিতা আরও গভীর করার চেষ্টা করবেন তারা।

এরপর ভারত ও চীন নিয়ে তুলনা করে তিনি বলেন, দক্ষিণ চীন সাগরসহ বেশ কিছু বিষয়ে চীন আন্তর্জাতিক ধারার বাইরে কাজ করে। চীনের বেল্ট এন্ড রোড প্রকল্প নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ভারতের সঙ্গে একত্রিত হয়ে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চাই। এখানে যেন কোনোভাবেই অস্থিতিশীলতা কিংবা সহিংসতা না হয়।’

টিলারসন বলেন, মিয়ানমারকে গুরুত্বপূর্ণ উদীয়মান গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে দেখে যুক্তরাষ্ট্র। তবে রোহিঙ্গা সংকট সেনাদের সঙ্গে ক্ষমতা বিনিময় করা মিয়ানমার সরকারের জন্য একটি পরীক্ষা বলে মনে করছেন তিনি।

এন টি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে