আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > অর্থ-বাণিজ্য > আমন ক্ষেতে নলি ও গোয়াল মাছির আক্রমন, ফলন বিপর্যয়ের আংশকা

আমন ক্ষেতে নলি ও গোয়াল মাছির আক্রমন, ফলন বিপর্যয়ের আংশকা

আমন ক্ষেতে নলি ও গোয়াল মাছির আক্রমন, ফলন বিপর্যয়ের আংশকা

প্রতিচ্ছবি যশোর প্রতিনিধি:

মণিরামপুরে নলি ও গোয়ালমাছির আক্রমনসহ রোপা আমন ধানের পাতা পঁচা রোগে ফলন বিপর্যয়ের আশংকা দেখা দিয়েছে। ফলে ঋণ নিয়ে যে সব কৃষক ধান চাষ করেছেন তাদের আর্থিক সংকটে পড়তে হবে বলে জানিয়েছেন চাষিদের অনেকে।

সংকট উত্তরণে সংশ্লিষ্ট অফিসের কোন পরামর্শ পাওয়া যাচ্ছে না বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্ষতিরমুখে পড়া কৃষকরা।

জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে উপজেলায় ২২ হাজার ১২৫ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ আমন ক্ষেত নলি ও গোয়াল মাছিসহ পাতা পঁচা রোগে আক্রান্ত হয়েছে। ফলে কাংখিত ফলন নিয়ে কৃষকরা চিন্তায় পড়েছেন।

উপজেলার চালুয়াহাটি, খেদাপাড়া ও রোহিতা ইউনিয়নের আমন ক্ষেতগুলোর দিকে নজর দিলে এমন চিত্র চোখে পড়ে।

অনেক কৃষকের জমির আমন ধান পাতা পঁচা রোগে আক্রান্ত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কৃষি অফিসের কোন পরামর্শ পেয়েছেন কি-না জানতে চাইলে ক্ষোভ প্রকাশ করে কৃষকরা বলেন, তাদের চেহারাও কখনো দেখিনি। কোম্পানির লোকেরাই এসে ক্ষেতে এই ঔষুধ, সেই ঔষুধ দেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।

খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, উপজেলার ১৭ ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা এলাকায় ৫০ জন উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু অধিকাংশ ইউনিয়নের কৃষক প্রয়োজনের সময় উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের সহযোগীতা পান না বলে অভিযোগ করেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার তরফদার সাংবাদিকদের বলেন, যশোর জেলাব্যাপী আমন ধানে এ ধরনের পোকার আক্রমন দেখা দিয়েছে। সংকট উত্তরণে করণীয় বিষয় নিয়ে মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা করলাক্স, ডায়োজেনন, দানাদার জাতীয় ঔষুধ স্প্রে করতে কৃষকদের বার বার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

শিগগিরই ইউনিয়নে ইউনিয়নে কৃষকদের পরামর্শ দিতে মাইকিং করা হবে বলেও তিনি জানান।

সাজেদ রহমান/এ আর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে