আপনি আছেন
প্রচ্ছদ > অর্থ-বাণিজ্য > যে ভাবেই হোক চালের দাম কমাতে হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

যে ভাবেই হোক চালের দাম কমাতে হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

যে ভাবেই হোক চালের দাম কমাতে হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রতিচ্ছবি প্রতিবেদক:

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, যে যেভাবে পারেন চাল আনেন। আমি এনবিআর ও কাস্টমসকে বলে দিচ্ছি। কেউ বাধা দেবে না। এছাড়া ভারত থেকে জিটুজি পদ্ধতিতে চাল আমদানি করতে আমি নিজে কথা বলবো। যে ভাবেই হোক চালের দাম কমাতে হবে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে চাল বাজারের অস্থিরতা নিয়ে মিল মালিক, আমদানিকারক ও আড়তদারদের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি ব্যবসায়ীদের এসব কথা বলেন। দীর্ঘ বৈঠকে চাল ব্যবসায়ীরা আমদানিতে তাদের বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কথা জানান। তাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন।

চাল ব্যবসায়ে প্রতিবন্ধকতার বিষয়ে ব্যবসায়ীরা বলেন, চাল আমদানিতে চটের বস্তা ব্যবহারে সরকারি বাধ্যবাধকতায়ও খরচ বাড়ছে। চটের বস্তায় চাল আমদানি করলে প্রতি কেজিতে এক টাকা খরচ বাড়ে। আর প্লাস্টিকের বস্তায় খরচ হয় মাত্র ১৫/১৬ পয়সা। যদি চটের বস্তা ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা স্থগিত করা হয় তবে আমদানিতে প্রতি কেজি চালের দাম দুই টাকা কমবে।

ব্যবসায়ীদের দাবিগুলো তাৎক্ষণিক মেনে নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের চাল সংকট নিরসনে চটের বস্তায় চাল আমদানির সরকারি বাধ্যবাধকতার সিদ্ধান্ত আগামী তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হলো।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ভারত থেকে সরকারিভাবে কীভাবে চাল আমদানি করা যায় এ ব্যাপারে সরকার ভাবছে। এ ছাড়া চালের ট্রাক আটকে থাকার জটিলতা নিরসনে ট্রেনে করে চাল আমদানি করা যায় কি না এ ব্যাপারেও সরকার ভাবছে।

গেলো সপ্তাহ হতে খুচরা বাজারে মোটা চাল প্রতি কেজি ৪৮ থেকে ৫০ টাকা, আঠাশ চাল ৫২-৫৩, মিনিকেট ৬০ থেকে ৬৫ ও বাসমতী ৬৮ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়ে আসছিল। তবে গেলো কয়েকদিন ধরে সরকার দেশের বিভিন্ন স্থানের চালের আড়তে অভিযান চালিয়েছে। পাশাপাশি ভারত, মিয়ানমার, ভিয়েতনামসহ বেশ কয়েকটি দেশ থেকে চাল আমদানির কথা বলছে সরকার।

এ আর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন:
symphony

অনুরূপ সংবাদ

উপরে